উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রে পাল্টা আঘাতের ক্ষমতা নেই যুক্তরাষ্ট্রের!

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রে পাল্টা আঘাতের ক্ষমতা নেই যুক্তরাষ্ট্রের!

তাৎক্ষণিকভাবে উত্তর কোরিয়া যে কোনো সময় পারমাণবিক হামলা করতে পারে এমন হুমকিকে আমল দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে এধরনের হামলা ঠেকানো সম্ভব নাও হতে পারে। উত্তর কোরিয়া যদি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তাহলে তা কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পূর্বে তাতে পাল্টা আঘাত হানা নাও যেতে পারে। উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উন গত রোববার বলেছেন, যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে তার দেশ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে সক্ষম
এরই প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন মনে করছে উত্তর কোরিয়ার এধরনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর পথিমধ্যে তাতে পাল্টা আঘাত হানা যাবে না। পেন্টাগন স্বীকার করেছে, উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে আকাশেই পাল্টা আঘাত করার মত সক্ষমতা নেই। পেন্টাগন আরো বলছে আদতেই উত্তর কোরিয়ার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে পাল্টা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমেরিকার নেই। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ্যাশ কার্টার দাবি করেছেন, কিমের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করার মত প্রতিরক্ষা শক্তি অর্জনে আরো কিছু শেখার আছে। তিনি বলেন, যদি এধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি দেয়, তাহলে তা প্রতিরোধ করা হবে। যদি হুমকি না দেয় তাহলে প্রতিরোধ করার মত কিছু নেই। কারণ এধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই পাল্টা আঘাতের ব্যবস্থা করা আমাদের জন্যে আগাম হয়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, আকাশে এধরনের ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে এসে আঘাত হানার মত শক্তি আছে কি না তা পরখ করা বা পাল্টা আঘাতের শক্তি অর্জন করা অপ্রয়োজন, কারণ এধরনের শক্তি বা হুমকি এখনো আসেনি।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে হলে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রকে সাড়ে ৫ হাজার মাইল উড়ে আসতে হবে। এধরনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হানার ক্ষমত এখন পর্যন্ত রয়েছে ৩ হাজার ৪’শ মাইল। তবে কোনো কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ৬ হাজার ২’শ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত হানতে পারে এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে।
এদিকে পেন্টাগনের অস্ত্র পরীক্ষা অফিস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমি থেকে কোনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রকে পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা এখনো কম নির্ভরযোগ্য। এবং এধরনের ব্যবস্থা দেশটিকে কম সামর্থের মধ্যেই রেখেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, এধরনের পরিস্থিতি বিপদজনক পরিস্থিতির ঝুঁকি তৈরি করে রেখেছে। এবং এ পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করার উপযুক্ত সময় এসেছে।
কেরি বলেন, কিম যদি এধরনের হুমকি অব্যাহত রাখে তাহলে অতিসত্ত্বর ঝুঁকি মোকাবেলার প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। ফলে কোনো উপায় বের হয়ে আসবে অথবা কিম যে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে তার প্রেক্ষাপটে তিনি একধরনের চাপ অনুভব করবেন এমন প্রস্তুতি নেওয়া উচিত

এরকম আরো লেখা...

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে। মন্তব্য করতে * চিহ্নিত স্থানগুলো পূরণ করতে হবে।

মন্তব্য মুছে ফেলুন

সর্বশেষ খবর

সর্বাধিক মন্তব্য

ভিডিও