লিটন হত্যায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করছে পুলিশ

লিটন হত্যায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করছে পুলিশ

রংপুর রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। খুব শীঘ্রই লিটন হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরো জানান, দক্ষ কিছু পুলিশ কর্মকর্তাদের তিনি ইতিমধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পাঠিয়েছেন। তারা সেখানে লিটন হত্যা তদন্তে সহযোগিতা করছে।
খন্দকার গোলাম ফারুক জানান, এমপি লিটন হত্যার কারণ খুব শীঘ্রই জানা যাবে। এ হত্যার অনেক ক্লু পুলিশ উদ্ধার করেছে। স্থানীয় জামায়াত শিবিরের ভূমিকার বিরুদ্ধে লিটন সোচ্চার ছিলেন এবং এধরনের একটি অবস্থান তৈরি করায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাইবান্ধার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভিডিও বার্তায় অনুরুপ আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।
ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক এমপি লিটন হত্যার সঙ্গে জামায়াতের হাত ছাড়াও জঙ্গি যোগসাজস আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান। এমনকি স্থানীয় আওয়ামী লীগে নেতাকর্মীদের কেউ এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত ছিল কি না তাও অনুসন্ধান করছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে লিটনের দেহ থেকে উদ্ধারকৃত বুলেট ও অন্যান্য আলামত পরীক্ষা ছাড়াও ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। যে গুলি ব্যবহার করা হয়েছে এমপি লিটনকে হত্যায় তা ঢাকায় গ্রেফতারকৃত জঙ্গিরা ব্যবহার করছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হত্যার সময় হত্যাকারীদের ফেলে যাওয়া টুপি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে তাতে ঘাম বা চুলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় কি না যা হত্যাকারীদের সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে। ডিএনএ পরীক্ষায় এসব আলামত সংরক্ষিত করা হচ্ছে যা হত্যাকারীদের খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
খন্দকার গোলাম ফারুক জানান, এমপি লিটনকে হত্যায় যে গুলি ব্যবহার করা হয়েছে তা যুগোসøাভিয়ায় তৈরি। তবে তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি একই ধরনের গুলি পাকিস্তানে তৈরি হয় কিনা।
এদিকে গাইবান্ধার জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মন্ডলকে এ হত্যা মামলায় গ্রেফতারের পর আরো ৬ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শফিকুল ইসলাম একজন হাইস্কুল শিক্ষক। গত রোববার তাকে প্রথমে শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আটক করা হয়। এরপর তাকে এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
গত রোববার গাইবান্ধা আদালতে গ্রেফতারকৃত ৬ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করা হয়। একই দিন পুলিশ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হাবিবি মাসুদবে এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক করে। ঢাকা ট্রিবিউন থেকে অনুবাদ

এরকম আরো লেখা...

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল গোপন রাখা হবে। মন্তব্য করতে * চিহ্নিত স্থানগুলো পূরণ করতে হবে।

মন্তব্য মুছে ফেলুন

সর্বশেষ খবর

সর্বাধিক মন্তব্য

ভিডিও