অক্সিজেন সংকট মেটাতে আরো ২ মাস সময় চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

৬ মাস সময় পেয়েও, হাসপাতালে অক্সিজেনের সংকট মেটানো যায়নি। এখন আরো দুই মাস সময় চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড চিকিৎসায় নির্ধারিত হাসপাতালে, কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ লাইন স্থাপনে অন্তত ছয়মাস সময় লাগবে। ততদিন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষু  রোগীর জন্য সিলিন্ডারই একমাত্র ভরসা। কিন্তু সেখানেও সংকট।

৬ মাস সময় পেয়েও, হাসপাতালে অক্সিজেনের সংকট মেটানো যায়নি। এখন আরো দুই মাস সময় চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড চিকিৎসায় নির্ধারিত হাসপাতালে, কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ লাইন স্থাপনে অন্তত ছয়মাস সময় লাগবে।

ততদিন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষু  রোগীর জন্য সিলিন্ডারই একমাত্র ভরসা। কিন্তু সেখানেও সংকট।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ তীব্র হলে, স্বাভাবিকভাবে পর্যাপ্ত অক্সিজেন নিতে পারে না মানুষের ফুসফুস।

জীবন বাঁচাতে বাড়তি অক্সিজেনের যোগান জরুরি হয়ে পড়ে।

দেশে মেডিক্যাল অক্সিজেন উৎপাদন করে তিনটি প্রতিষ্ঠান। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন যোগান দেয় ইসলাম অক্সিজেন ও লিন্ডে বাংলাদেশ।

আর সব সরকারি হাসপাতালের একক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান স্পেকট্রা অক্সিজেন।

উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সাধারণ সময়ের তুলনায়, তিনগুণ বেড়েছে অক্সিজেনের চাহিদা। কিন্তু সিলিন্ডারের সংকটে পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

স্পেকট্রা বাংলাদেশের সিইও খলিলুর  রহমান বলেন, “অক্সিজেনের কোনো সংকট নেই। হাসপাতাল কত সিলিন্ডার নেবে সেটা বড় ইস্যু।”

সরকারের হিসাবেও সিলিন্ডার সংকটের তথ্য আছে। দেশে কোভিডের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালের শয্যা ১৪ হাজার ৩৪৮টি।

সিলিন্ডার আছে ১০ হাজার ৮৬৬টি। সরল হিসাবে ২৫ শতাংশ কম। কিন্তু একেকজন রোগীর ৩ থেকে ৪টি সিলিন্ডার দরকার।

সেক্ষেত্রে এই সিলিন্ডার দিয়ে সাড়ে তিন হাজার রোগীর ফুসফুসে অক্সিজেন পৌঁছানো সম্ভব।

অথচ রবিবার পর্যন্ত কোভিড হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫ হাজার।

এমন অবস্থায় হাসপাতালগুলোতে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ার বিকল্প নেই।

আইইডিসিআর’র উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন জানান, একটা সেন্ট্রাল অক্সিজেন পুরো হসপিটাল কাভার করে, অক্সিজেন কন্সন্ট্রেটর বলে একটি যন্ত্র আছে যেটা বাতাস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে অক্সিজেন ঘনিভূত করে সেটাকে ভ্যালুয়েশন করে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপোর্ট দেয়া যায়।

তবে বাস্তবতা হচ্ছে কোভিডের জন্য নির্ধারিত ১১০টির মধ্যে বেশিরভাগ হাসপাতালেই কেন্দ্রীয় সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আমিনুল হাসান বলেন,

“সারা দেশের সব হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন বসানো উচিৎ, কাজ চলছে।

ধাপে ধাপে হয়ে যাবে। দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে হয়ে যাবে।”

যদিও এমন বক্ত্যব্যের সাথে একমত নন বিশেষজ্ঞরা।

ইসলাম অক্সিজেন’র সিওও বদর উদ্দিন আল-হোসাইন বলেন,

“একশ’ ফিটের হাসপাতালকে পুরোপুরি অক্সিজেনের আওতায় আনতে ৩মাস সময় লাগে।

এক হাজার বেডের মেডিক্যালের জন্য প্রায় ১৫ মাসের মত সময় লাগে।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকায় বলা আছে অন্তত ২০ শতাংশ করোনা আক্রান্তের অক্সিজেন প্রয়োজন হয়।

আরেকটি হিসাব বলছে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীর ৯৫ শতাংশেরই কৃত্রিম অক্সিজেন প্রয়োজন হয়।

Download WordPress Themes Free
Download WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Download WordPress Themes Free
online free course