অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় সাত ধাপ এগোল বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে সাত ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিক থেকে এখন ১২১তম অবস্থানে বাংলাদেশ। গেল বছরে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১২৮ তম। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে হংকং। আর সবার নিচে রয়েছে উত্তর কোরিয়া।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে সাত ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিক থেকে এখন ১২১তম অবস্থানে বাংলাদেশ। গেল বছরে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১২৮ তম। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে হংকং। আর সবার নিচে রয়েছে উত্তর কোরিয়া।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৭তম। এ সূচকে বাংলাদেশের পেছনে ভারত ও পাকিস্তান।

হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের সূচকে বিশ্বের ১৬৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২১তম। মোট স্কোর ৫৫ দশমিক ৬।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতার সূচকে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৮তম। স্কোর ছিল ৫৫ দশমিক ১। এ বছর বাংলাদেশ সাত ধাপ এগিয়ে গেল। আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশের সার্বিক স্কোর এগিয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। ভারতের অবস্থান ১২৯তম, এর দুইধাপ নিচে ১৩১তম অবস্থান আছে পাকিস্তান। এ ছাড়া নেপাল ১৩৬ তম ও শ্রীলঙ্কার ১১৫তম।

এ বছরের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহতভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের বেশি থেকেছে বাংলাদেশে।

প্রতিবেদনে দেশগুলোকে অবদমিত, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অমুক্ত, মাঝারি রকমের মুক্ত, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মুক্ত এবং মুক্ত—এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। পুরোপুরি মুক্ত দেশ মাত্র ছয়টি। এর মধ্যে দুটিই এশিয়ার হংকং ও সিঙ্গাপুর। অন্য চারটি হলো নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও আয়ারল্যান্ড। মুক্ত দেশগুলোর স্কোর ৮০ থেকে ১০০–এর মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো ধনী দেশগুলো আছে ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মুক্ত’ দেশের তালিকায়।

বাংলাদেশ আছে ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অমুক্ত’ দেশের তালিকায়। এ তালিকায় থাকা ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান যথাক্রমে ১২৯ ও ১৩১। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভুটানের অবস্থান সবচেয়ে ভালো। দেশটি আছে ৭৪তম অবস্থানে। আর শ্রীলঙ্কা আছে ১১৫তম অবস্থানে। ভুটান আছে ‘মাঝারি রকমের মুক্ত’ ভাগে। এ ভাগে দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ অবশ্য নেই।

প্রতিবেদনে আইনের শাসন, সরকারের আকার, নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা ও মুক্ত বাজার—এই চার বিশেষ ধরনের দেশগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে আবার তিনটি করে উপবিভাগ আছে। মোট ১২টি উপবিভাগের মধ্যে আর্থিক হাল, ব্যবসার স্বাধীনতা ও বিনিয়োগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান আগের চেয়ে কমে গেছে। বাকি নয়টির মধ্যে সাতটিতেই এগিয়েছে বাংলাদেশ। দুটিতে আগের মতোই অবস্থা।

Free Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
free download udemy paid course