আকারভেদে ছাগলের চামড়ার দাম সর্বনিম্ন ২ টাকা, গরুর ১৫০

দাম নির্ধারণ ও রপ্তানির ঘোষণা দেওয়ার পরও এবারের কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বিপর্যয় ঠেকানো যায়নি। রাজধানীতে গরুর চামড়া আকারভেদে ১৫০ থেকে ৬০০ টাকায় আর ছাগলের চামড়া ২ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। শনিবার রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘরে এমনটাই দেখা গেল।দাম নির্ধারণ ও রপ্তানির ঘোষণা দেওয়ার পরও এবারের কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বিপর্যয় ঠেকানো যায়নি। রাজধানীতে গরুর চামড়া আকারভেদে ১৫০ থেকে ৬০০ টাকায় আর ছাগলের চামড়া ২ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। শনিবার রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘরে এমনটাই দেখা গেল।

দাম নির্ধারণ ও রপ্তানির ঘোষণা দেওয়ার পরও এবারের কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বিপর্যয় ঠেকানো যায়নি।

রাজধানীতে গরুর চামড়া আকারভেদে ১৫০ থেকে ৬০০ টাকায় আর ছাগলের চামড়া ২ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

শনিবার রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘরে এমনটাই দেখা গেল।

জিগাতলা ট্যানারি মোড় ও পোস্তার আড়তসহ জায়গাতেই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক কমে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া।

অথচ গতবারের চেয়েও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম এবার ২০ থেকে ২৯ শতাংশ কমিয়ে ধরা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে চামড়াশিল্পের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে।

ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ধরা হয়েছে।

আর ঢাকার বাইরে ধরা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২৮ থেকে ৩২ টাকা।

এ ছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া গত বছরের প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৩ থেকে ১৫ টাকা করা হয় ।

আবার দরপতন ঠেকাতে ২৯ জুলাই কাঁচা ও ওয়েট-ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

পুরান ঢাকার পোস্তায় দেখা যায়, সারি সারি পিকআপ ও ট্রাকে করে কোরবানির পশুর চামড়া আড়তে আসছে।

দরদাম করে কিনছেন আড়তদারেরা। সেই চামড়া আড়তের ভেতরে নিয়ে লবণ দিয়ে সংরক্ষণে ব্যস্ত শ্রমিকেরা।

আজিমপুর থেকে পোস্তায় ঢোকার মুখে সড়কের পাশে বসে একজন চামড়া কিনছিলেন।

তিনি জানানবড় গরুর চামড়া ৫০০-৬০০ ও মাঝারি গরুর চামড়া ৩০০-৩৫০ টাকায় কিনেছেন। আর ৪ পিছ ছাগলের চামড়া কিনেছেন ১০ টাকায়।

শের মোহাম্মদ নামে একজন জানান, বড় গরুর চামড়া ৪০০-৬০০ টাকায় এবং ছোট ও মাঝারি গরুর চামড়া ১৫০-২৫০ টাকায় কিনেছেন।

আড়তদার ও ট্যানারির মালিকেরা বলছেন, চলতি বছর গতবারের চেয়ে ৩০-৩৫ শতাংশ কম চামড়া আসবে।

তাই চামড়ার বেশ চাহিদা রয়েছে। তার পরও চামড়ার দাম কম।

চামড়ার কম দামের কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আফতাব খান বলেন, কাঁচা চামড়া যে দামে বিক্রি হচ্ছে তা ঠিকই আছে।

কারণ প্রতি বর্গফুট চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ৮ টাকা খরচ হয়। তা ছাড়া আড়তদারেরা নগদ অর্থের সংকটে আছেন।

বেশির ভাগ ট্যানারির মালিক আড়তদারদের বকেয়া পরিশোধ করেননি।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ছোট চামড়াই বেশি আসছে এবার।

চামড়া প্রক্রিয়াজাতে লবণের খরচ আছে। কাটিংয়েও বাদ যাবে কিছু চামড়া।

তা ছাড়া শেষ পর্যন্ত কী দাম পাওয়া যাবে, তা নিয়ে আশঙ্কায় আছেন অনেক ব্যবসায়ী।

Download WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
Download WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
free download udemy paid course