আজকের শিশু আগামী দিনের কর্ণধার: প্রধানমন্ত্রী

শিশুরা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সেলক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশু আগামী দিনে এ দেশের কর্ণধার। আজকের শিশুদের মধ্য থেকেই কেউ প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে; কেউ বড় বড় চাকরি করবে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শিশুরা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সেলক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশু আগামী দিনে এ দেশের কর্ণধার। আজকের শিশুদের মধ্য থেকেই কেউ প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে; কেউ বড় বড় চাকরি করবে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই একদিন সোনার বাংলা গড়বে। তারাই একদিন দেশের নেতৃত্ব দেবে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শিশু-কিশোর সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আমাদের শিশুদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে মানুষ করতে চাই। দেশকে ভালোবাসে তারা কাজ করবে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ। ২০২০ সালে আমরা জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী পালন করবো। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। ২০২০ থেকে ২০২১ আমরা মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। আমরা এই সময়টাকে এমন ভাবে পালন করতে চাই, যেন বাংলাদেশ ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এখানে উপস্থিত সকল শিশু এবং প্রবাসে থাকা আমাদের সকল শিশুর জন্য আমি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে এতোটুকুই বলবো বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, তোমরাই গড়ে তুলবে একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ইনশাল্লাহ এই বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ। জাতির পিতার স্বপ্ন আমরা পূরণ করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৪ বছরের সংগ্রাম এবং ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। দেশের মানুষ উন্নত জীবন পাবে, ক্ষুধা এবং দারিদ্র মুক্ত থাকবে এ লক্ষ্য নিয়েই দেশ স্বাধীন হয়েছিল। এটা ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন।

অভিভাবক, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, মাদরাসা শিক্ষক ও ধর্মীয় গুরুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও মাদক সম্পর্কে আপনারা শিশুদের বোঝাবেন। আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশকে এগিয়ে নিবে। তাদের এগিয়ে যেতে হবে।

শিশুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা বাবা-মা ও শিক্ষকদের কথা শুনবে, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে, শরীরের যত্ন নেবে। তোমাদেরকেই গঠন করতে হবে বলিষ্ঠ জাতি। আমরা ৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখছি সেই বাংলাদেশ তোমরাই পরিচালনা করবে।

এর আগে সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় স্টেডিয়ামে উপস্থিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান তাকে অভিবাদন জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর প্যারেড কমান্ডার মৌসুমী আক্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সালাম জানান।

বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে ৪৯তম স্বাধীনতা দিবস ও শিশু কিশোর সমাবেশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর প্রধানমন্ত্রী মূল মঞ্চ থেকে নেমে হেঁটে হেঁটে সমাবেশ পরিদর্শন করেন।

শুদ্ধস্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করার জন্য অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি শিশু কিশোরদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ করে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান।

Premium WordPress Themes Download
Free Download WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
Download Nulled WordPress Themes
online free course