আলঝেইমার প্রতিরোধ করবে যেসব খাবার

বিভিন্ন রোগ সারাতে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে চিকিৎসকরা বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। আলঝেইমার এমন এক ধরনের রোগ যাতে রোগী ধীরে ধীরে তার স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ হারাতে থাকে।

বিভিন্ন রোগ সারাতে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে চিকিৎসকরা বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। আলঝেইমার এমন এক ধরনের রোগ যাতে রোগী ধীরে ধীরে তার স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ হারাতে থাকে।

আলঝেইমার রোগ সারাতে সঠিক চিকিৎসা ও ওষুধ গ্রহণ জরুরি। এই রোগ নিরাময়ে চিকিৎসকরা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এমন খাবার গ্রহণ করার পরামর্শ দেন।

কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ে। সেই সঙ্গে আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধ করা যায়। যেমন-

ফ্যাটি মাছ : ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত এ ধরণের খাবার খেতে পারেন।

বাোম : বাদাম, বিশেষ করে আখরোট এবং কাজুবাদাম মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে। এগুলোতে থাকা ভিটামিন, খনিজ মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। আখরোটে থাকা ভিটামিন ই আলঝেইমারের ঝুঁকি কমায়।

অ্যাভোকাডো : এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, পটাশিয়াম, ভিটামিন কে থাকে যা মস্তিষ্ক উন্নত রাখে।সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও মনোযোগ বাড়ায়।

কুমড়ার বীজ : এটি মানসিক চাপ কমাতে ও মুড ঠিক রাখতে খুবই কার্যকরী। কুমড়ার বীজে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, কপার , জিঙ্ক থাকে। শরীরে এই উপাদানগুলি ঘাটতি হলে আলঝেইমার রোগ হয়। এগুলো মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

ব্রকলি: ব্রকলিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি, কে, সি আছে যা মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ায়। এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোসিনোলেট আছে যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।গ্লুকোসিনোলেটের ঘাটতি হলে আলঝেইমার রোগ হতে পারে।

পালং শাক : এটি এমন একটি শাক যেটার নানা ধরনের স্বাস্থ্য গুণ রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন থাকায় এটি মস্তিষ্কের জন্য দারুণ উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ চোখ ও মস্তিষ্কের জন্য ভাল।

কালো জাম : এই ফলে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি ও কম পরিমাণে ফ্যাট আছে।কালো জামে থাকা ভিটামিন কে ও সি স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

ডার্ক চকলেট : এতে থাকা ফ্লাভানলের নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমায় ।ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ডার্ক চকলেট খেলে মস্তিষ্ক ভাল থাকে। সূত্র : টাইমস অব ইণ্ডিয়া

Download Premium WordPress Themes Free
Download Best WordPress Themes Free Download
Free Download WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
free download udemy course