আড়াই কোটি ডলারেও রাজি হলেন না ভিন ডিজেল

প্রথম ছবি ‘দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস’ আয় করে ২০ কোটি ডলারের বেশি। এমন লাভজনক ছবির সিক্যুয়ালের জন্য দ্রুত পরিকল্পনা করেন প্রযোজক। কিন্তু কোনোভাবে রাজি করাতে পারেননি প্রধান অভিনেতা ভিন ডিজেলকে। শোনা যায়, ওই সময় নায়ককে আড়াই কোটি ডলার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু ডিজেলের ‘না’ আর ‘হ্যাঁ’ হয়নি। হ্যাশট্যাগ লিজেন্ড ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ বিষয়ে মুখ খোলেন ভিন ডিজেল। সিক্যুয়ালে রাজি না হওয়া প্রসঙ্গে জানান, তিনি ভাবতে শুরু করেছিলেন ‘রেবেল উইথআউট আ কজ’-এর মতো ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ একটি ক্ল্যাসিক। যদি স্টুডিওর চাহিদা মতো এর সিক্যুয়ালে রাজি হন, সেটা হবে গল্পকে থাপ্পড় দেওয়া।

হলিউডের শীর্ষ আয়ের ফ্রাঞ্চাইজিগুলোর অন্যতম ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’।

২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া আটটি সিক্যুয়ালের ঝুলিতে আছে অনেক রেকর্ড।

প্রথম ছবি ‘দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস’ আয় করে ২০ কোটি ডলারের বেশি।

এমন লাভজনক ছবির সিক্যুয়ালের জন্য দ্রুত পরিকল্পনা করেন প্রযোজক। কিন্তু কোনোভাবে রাজি করাতে পারেননি প্রধান অভিনেতা ভিন ডিজেলকে।

শোনা যায়, ওই সময় নায়ককে আড়াই কোটি ডলার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু ডিজেলের ‘না’ আর ‘হ্যাঁ’ হয়নি।

হ্যাশট্যাগ লিজেন্ড ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ বিষয়ে মুখ খোলেন ভিন ডিজেল।

সিক্যুয়ালে রাজি না হওয়া প্রসঙ্গে জানান, তিনি ভাবতে শুরু করেছিলেন ‘রেবেল উইথআউট আ কজ’-এর মতো ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ একটি ক্ল্যাসিক। যদি স্টুডিওর চাহিদা মতো এর সিক্যুয়ালে রাজি হন, সেটা হবে গল্পকে থাপ্পড় দেওয়া।

তাই ক্ল্যাসিক হতে চলা ছবিকে নষ্ট করতে চাননি।

তবে ২০০৩ সালের ‘টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস’ না করলেও ২০০৬ সালে ‘দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস: টোকিও ড্রাফট’-এ অল্প সময়ের জন্য ভিন ডিজেলকে দেখা যায়।

পুরোপুরি প্রত্যাবর্তন ঘটে ২০০৯ সালের ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ দিয়ে, ওই ছবিটি আয় করে ৩৬ কোটি ডলারেরও বেশি।

সব মিলিয়ে সিরিজের আটটি ছবির আয় ৫৮০ কোটি ডলারেরও বেশি। ২০২১ সালে মুক্তি পাবে নবম সিক্যুয়াল। পরের কিস্তিরও ঘোষণা এসেছে ইতিমধ্যে।

Free Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
udemy paid course free download