ইফতারে দই চিড়া কেন খাবেন?

শরীরের পানিশূন্যতা পূরণ করবে, ক্লান্তি ভাব দূর করতে কাজ করবে। তেমনই একটি খাবার দই চিড়া। একইসঙ্গে এটি অনেক সুস্বাধু এবং পুষ্টিকরও। চিড়া আমাদের পেট ঠাণ্ডা করে, পানির অভাব পূরণ করে এবং একইসঙ্গে ক্ষুধা মেটায়। চিড়ায় আঁশের পরিমাণ অনেক কম থাকে, যা ডায়রিয়া, ক্রন’স ডিজিজ, আলসারেটিভ কোলাইটিস, অন্ত্রের প্রদাহ এবং ডাইভারটিকুলাইসিস রোগ প্রতিরোধে এর উপকারিতা অনেক।

সারাদিন রোজা রাখার পর শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

অনেকে সারা দিন না খাওয়ার অভাবটুকু ইফতারে পুষিয়ে নেন তবে এটি ভুল ধারণা।

ইফতারে বেশি খাবার না খেয়ে পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দিতে হবে।

পুষ্টিবিদদের মতে, স্বাস্থ্যের অবস্থা ও বয়সের ওপর ভিত্তি করে পরিবারের সবার জন্য স্বাস্থ্যকর,

ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ ইফতার হওয়া উচিত। যা শারীরিক শক্তি জোগাবে,

কর্মচঞ্চল রাখবে, প্রোটিন, শর্করাসহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করবে।

সেজন্য ইফতারে রাখতে হবে বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার। এটি সহজে পরিপাক হবে;

হজম, বিপাক হয়ে শরীরের জন্য দ্রুত শক্তি দেবে। শরীরের পানিশূন্যতা পূরণ করবে,

ক্লান্তি ভাব দূর করতে কাজ করবে। তেমনই একটি খাবার দই চিড়া।

একইসঙ্গে এটি অনেক সুস্বাধু এবং পুষ্টিকরও।

চিড়া আমাদের পেট ঠাণ্ডা করে, পানির অভাব পূরণ করে এবং একইসঙ্গে ক্ষুধা মেটায়।

চিড়ায় আঁশের পরিমাণ অনেক কম থাকে, যা ডায়রিয়া, ক্রন’স ডিজিজ,

আলসারেটিভ কোলাইটিস, অন্ত্রের প্রদাহ এবং ডাইভারটিকুলাইসিস রোগ প্রতিরোধে এর উপকারিতা অনেক।

চিড়ায় পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকার জন্য কিডনি রোগীদের

ক্ষেত্রে চিড়া খাওয়ার উপকারিতা অনেক। সিলিয়াক ডিজিজের রোগীদের জন্যও চিড়া খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে।

চালের প্রোটিন প্রোলামিন ও গ্লুটেলিনের শোষণে কোনো সমস্যা না থাকার জন্য এই রোগীদের জন্য চিড়া গ্রহণ করা নিরাপদ।

তবে খেয়াল রাখতে হবে যে, বেশি শর্করা এবং উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচক সমৃদ্ধ খাবার বেশি গ্রহণে

সিরাম ট্রাইগ্লিসারাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে,

যা কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। তাই চিড়া খাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি।

দই চিড়া তৈরিতে যা যা লাগবে

টক দই (২ কাপ), চিড়া (১/২ কাপ), পাকা কলা (স্কয়ার করে কাটা ১টি),

চিনি (প্রয়োজন মতো), লবণ (প্রয়োজন মতো), এলাচি গুঁড়া (১/৪ চা চামচ), কিসমিস (১ টেবিল চামচ)।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে চিড়া ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর বাটিতে টকদই, চিনি ও লবণ দিয়ে

ভালোভাবে ফেটে নিতে হবে। ফেটানো দইয়ে চিড়া মেখে ফ্রিজে রাখুন।

এক ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে কলা, এলাচি গুঁড়া ও কিশমিশ ভালোভাবে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

Download Best WordPress Themes Free Download
Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes Free
udemy paid course free download