এই অবস্থা চিরদিনের অবস্থা নয় : মওদুদ

বিচার বিভাগের ওপর সরকারের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, “যেদিন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানী হবে সেদিন প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘খালেদা জিয়া রাজার হালে আছেন।’ এ কথাটা শোনার পরে কোনো বিচারপতির জন্য তাকে জামিন দেয়া সম্ভবপর? এভাবে বিভিন্নভাবে তারা প্রভাবিত করে আদালতকে। যার কারণে তিনি কারাবন্দি অবস্থায় আছেন। তবে এই অবস্থা চিরদিনের অবস্থা নয়।”

বিচার বিভাগের ওপর সরকারের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, “যেদিন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানী হবে সেদিন প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘খালেদা জিয়া রাজার হালে আছেন।’ এ কথাটা শোনার পরে কোনো বিচারপতির জন্য তাকে জামিন দেয়া সম্ভবপর? এভাবে বিভিন্নভাবে তারা প্রভাবিত করে আদালতকে। যার কারণে তিনি কারাবন্দি অবস্থায় আছেন। তবে এই অবস্থা চিরদিনের অবস্থা নয়।”

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের দুই বছর পূর্তিতে তার মুক্তি দাবি করে এই সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি।

মওদুদ বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিকামী মানুষ, তারা গণতন্ত্রকে ভালোবাসে, তারা তাদের অধিকার আদায় করার জন্য আন্দোলন করেছে, ভবিষ্যতেও করবে। এই রাজপথেই আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আসবে। এই মুক্তির সাথে সাথে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরে আসবে, আইনের শাসন ফিরে আসবে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরে আসবে।”

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে তিনি বলেন, “যে নির্বাচনে দু’জন মেয়র হয়েছেন তারা মেশিনের মেয়র। আর আমাদের তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন জনগণের মেয়র। তাও আবার তারা মেশিন দিয়েও ২৭ শতাংশ ভোট দেখাতে পারেন নাই।”

মওদুদ বলেন, “এই নির্বাচনে একটা জিনিস প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ এই সরকার ও এই নির্বাচন কমিশনকে প্রত্যাখান করেছে। এই যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া তা কোনো দিনই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন অবাধ ও ‍সুষ্ঠু হতে পারে না- এটা এদেশের মানুষ আবার প্রমাণ করেছে।”

বিএনপি মহাসচিবের সভাপতিত্বে প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমীরুল ইসলাম খান আলিমের পরিচালনায় সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস,  আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জ্যেষ্ঠ নেতা বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শাসুজ্জামান দুদু, এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিনু, ফজুলর রহমান, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন এবং ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ধানের শীষের দুই মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন বক্তব্য রাখেন।

অঙ্গসংগঠনের মধ্যে যুবদলের সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসেইন, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল প্র্রমুখ নেতারা বক্তব্য দেন। এদিকে, মঞ্চে থাকা দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি বক্তব্য দেননি।

সমাবেশে আবদুল আউয়াল মিন্টু,  আতাউর রহমান ঢালী, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শ্যামা ওবায়েদ, বিলকিস জাহান শিরিন, শিরিন সুলতানা, এহছানুল হক মিলন, এম এ মালেক, মীর সরফত আলী সপু, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, নিপুণ রায় চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Download Premium WordPress Themes Free
Download Premium WordPress Themes Free
Download Best WordPress Themes Free Download
Free Download WordPress Themes
free download udemy course