এভারেস্টের দরজা খোলায় নেপালকে নিয়ে বিতর্ক

প্রসঙ্গত, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রচুর মানুষ এভারেস্টে পর্বতারোহণ করতে আসেন। গত বছরের এই সময় রেকর্ড গড়ে ৮৮৫ জন পর্বতারোহী এভারেস্টে উঠেছিলেন। এর মধ্যে নেপালের দিক থেকে গিয়েছিলেন ৬৪৪ জন ও তিব্বতের দিক থেকে উঠেছিলেন ২৪১ জন। মার্চের মাঝামাঝি নেপালের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসকে বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণার পরেই চীন তাদের দিক থেকে এভারেস্টে পর্বতারোহণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এরপরই নেপালের মন্ত্রিসভায় এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নেপাল থেকে শুরু হওয়া মাউন্ট এভারেস্টের সমস্ত অভিযান বন্ধ রাখার পক্ষে সায় দেন সবাই। এরপরই এখান থেকে এভারেস্টের ওঠার সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

করোনা আতঙ্কে এবছর এভারেস্ট অভিযান বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা দিয়েছিল নেপাল সরকার। সেই কথা রাখল না দেশটি।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এমনকি ন্যাশনাল

জিওগ্রাফিকের মতো চ্যানেলও সম্প্রচার করেছিল, এবছর এভারেস্ট অভিযান হচ্ছে না।

কিন্তু এর মধ্যেই খবর, চীনের দিক থেকে অর্থাৎ নর্থ কল থেকে এভারেস্ট অভিযান হয়েছে।

তাও আবার নেপাল সরকারের অনুমতিতেই।

মঙ্গলবার ৫ জন অভিযাত্রী এভারেস্ট চূড়ায় উঠেছেন বলে খবর। যা নিয়ে তোলপাড় পর্বতারোহী মহলে।

ঘোষণার পরও কীভাবে অভিযান হল এবং পুরো বিষয়টা ধোঁয়াশার মধ্যে কেন রাখা হল তা নিয়ে জোর বিতর্ক।

প্রসঙ্গত, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের শেষ

পর্যন্ত বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রচুর মানুষ এভারেস্টে পর্বতারোহণ করতে আসেন।

গত বছরের এই সময় রেকর্ড গড়ে ৮৮৫ জন পর্বতারোহী এভারেস্টে উঠেছিলেন।

এর মধ্যে নেপালের দিক থেকে গিয়েছিলেন ৬৪৪ জন ও তিব্বতের দিক থেকে উঠেছিলেন ২৪১ জন।

মার্চের মাঝামাঝি নেপালের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল,

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসকে বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণার পরেই চীন

তাদের দিক থেকে এভারেস্টে পর্বতারোহণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এরপরই নেপালের মন্ত্রিসভায় এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নেপাল থেকে শুরু হওয়া মাউন্ট এভারেস্টের সমস্ত অভিযান বন্ধ রাখার পক্ষে সায় দেন সবাই।

এরপরই এখান থেকে এভারেস্টের ওঠার সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বিদেশি কোনও পর্যটককেই আর ভিসা দেয়া হচ্ছে না।

কিন্তু তা সত্ত্বেও সেভেন সামিট ট্রেকস প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি

অভিযাত্রী সংস্থা মঙ্গলবার তাদের ফেসবুকে পেজে পোস্ট করেছে,

নর্থ কল দিয়ে পাঁচজনের একটি রোপ ফিক্সিং দল এভারেস্ট জয় করেছে।

প্রত্যেকেই তিব্বতের রাজধানী লাসার টিবেটান গাইড স্কুলের সদস্য।

দোরজি শেরিং, তেনজিং নোরবু, ডুনপা, তাশি গোম্বু, শেরিং নোরবু নামে পাঁচ গাইড সামিট করে এভারেস্ট।

এই ফেসবুক পোস্ট দেখেই হতাশ অন্যান্য অভিযাত্রীরা।

তাহলে কেন নেপাল সরকার পুরো বিষয়টা নিয়ে ধোঁয়াশা রাখল প্রশ্ন তুলছেন অভিযাত্রীরা।

অভিযান বাতিল ঘোষণার সময় নেপালের সংস্কৃতি, পর্যটন ও অসামরিক বিমান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী

যোগেশ ভট্টরাই বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বসন্তকালে হওয়া এভারেস্টের সমস্ত অভিযান বাতিল করা হয়েছে।

এই মাসে গোটা বিশ্বের পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগামীতে পরিস্থিতি ফের খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত পুর্নবিবেচনা করা হবে।

কিন্তু যখন অভিযান হলই, তাও আবার চীনের দিক থেকে তাহলে বাকি অভিযাত্রীদের

ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঢাকঢোল পিটিয়ে কেন ঘোষণা করেছিল নেপাল সরকার? তা নিয়ে জোর বিতর্ক।

এমনিতেই ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে মতভেদ শুরু হয়েছে নেপালের।

চীনের মদতেই ভারতকে চোখ রাঙাচ্ছে নেপাল। এ বিষয়ে সহমত কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু তাই বলে এভারেস্ট অভিযানের মতো এত জনপ্রিয় ইভেন্ট নিয়ে

নেপাল সরকারের দ্বিচারিতা ভাল চোখে দেখছেন না ভারতীয় পর্বতারোহীরা।

Download Best WordPress Themes Free Download
Download Best WordPress Themes Free Download
Premium WordPress Themes Download
Free Download WordPress Themes
udemy course download free