কতদিন পর পর শ্যাম্পু করবেন?

বাইরে যে পরিমাণে দূষণ আর ধুলোবালি থাকে, তাই প্রায় প্রতিদিনই বাড়ি ফিরে চুল শ্যাম্পু করতে হয়! কিন্তু রোজ চুলে শ্যাম্পু করা কি ঠিক? আবার চুল শ্যাম্পু না করলে এসব ধুলোবালি, দূষণ ও ঘামের কারণে চুল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এসব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

বাইরে যে পরিমাণে দূষণ আর ধুলোবালি থাকে, তাই প্রায় প্রতিদিনই বাড়ি ফিরে চুল শ্যাম্পু করতে হয়! কিন্তু রোজ চুলে শ্যাম্পু করা কি ঠিক? আবার চুল শ্যাম্পু না করলে এসব ধুলোবালি, দূষণ ও ঘামের কারণে চুল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এসব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

যদি বিস্তারিত বলতে হয়, তাহলে আমাদের মাথা থেকে এক ধরনের তেল নিঃসৃত হয়। ফলে বাইরের ধুলোবালি ও ময়লা সহজে চুলে আটকে যায়। শ্যাম্পু করলে এসব ময়লা কেটে যায়। কিন্তু শ্যাম্পু বেশি করলে চুল শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে চুল পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যাদের চুল একটু তৈলাক্ত ধরনের ও মাথার ত্বক যাদের অনেক বেশি ঘামে, তাদের বাইরে থেকে ফিরে রোজ শ্যাম্পু করা উচিত। অন্যদিকে যাদের চুল শুষ্ক প্রকৃতির বা কোঁকড়ানো, তাদের রোজ শ্যাম্পু করা উচিত নয়।

চুল তৈলাক্ত হলে সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন শ্যাম্পু করা যেতেই পারে। অন্যদিকে চুল শুষ্ক হলে সপ্তাহে দুবার করাই ভালো। না হলে চুল আরো বেশি শুষ্ক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেক্ষেত্রে চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু নির্বাচন করা উচিত। চুলের সুস্থতার জন্য কয়েক মাস পর পর শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড পাল্টে নিতে হবে। শ্যাম্পু করার সময় স্ক্যাল্পে জোরে জোরে ম্যাসাজ করা ঠিক না। এতে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায়। ফলে চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

কখনো যদি খেয়াল করেন, আগের তুলনায় চুল অনেক বেশি পড়ছে, তাহলে মনে করে দেখুন তা শ্যাম্পু বদলানোর কারণে কিনা। যদি এমন না হয়, তাহলে অন্য কী কারণ রয়েছে তা খুঁজে দেখুন। বেশি সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Download Nulled WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
Download Nulled WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
free online course