করোনাকালে বিমান বাংলাদেশের আয় ২৩৪ কোটি টাকা

করোনা পরিস্থিতিতে গত তিন মাসে বিশেষ ও কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করে ২৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। যদিও একমাসেই বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ২৬৬ কোটি টাকা। তবে করোনায় গোটা বিশ্বের এভিয়েশন খাত গুটিয়ে রইলেও বিমান অল্পস্বল্প আয় করায় আশার আলো দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
Ashraful IslamJuly 2, 20201min0

করোনা পরিস্থিতিতে গত তিন মাসে বিশেষ ও কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করে ২৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

যদিও একমাসেই বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ২৬৬ কোটি টাকা।

তবে করোনায় গোটা বিশ্বের এভিয়েশন খাত গুটিয়ে রইলেও বিমান অল্পস্বল্প আয় করায় আশার আলো দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্যমতে, করোনা ভাইরাসের কারণে মার্চের শেষদিকে বিমানের সব রুট বন্ধ হয়ে যায়। তার পরই বিকল্প আয়ের চিন্তা করে বিমান কর্তৃপক্ষ।

করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে গড়ে বিমানের যাত্রী কমে ৩৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এপ্রিলের শুরুতে এটি একেবারে শূন্যে নেমে আসে।

তবে মধ্য এপ্রিল থেকে আয়ের পথে যেতে শুরু করে বিমান। ওই সময় থেকে চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনায় নামে রাষ্ট্রায়ত্ত এ উড়োজাহাজ সংস্থা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরত আনা শুরু করে বিমান।

শুরুতে ভারত, এরপর মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, জাপান থেকে যাত্রী নিয়ে আসে।

একইসঙ্গে ঢাকা থেকেও ইতালি, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেনে একাধিক চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করে।

এ ছাড়া যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন রুটে পণ্য পরিবহন শুরু করে সংস্থাটি।

বিমানের তথ্যানুযায়ী, এপ্রিল থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত তিন মাসে ১০৯টির বেশি চার্টার্ড ও কার্গো পণ্যবাহী ফ্লাইট পরিচালনা করেছে বিমান।

এসব ফ্লাইট থেকে ২৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে। এর মধ্যে এপ্রিলে ৪০ কোটি, মে মাসে ৯৪ কোটি ও ২৫ জুন পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে বিমান।

করোনা পরিস্থিতিতে গত তিন মাসে বিশেষ ও কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করে ২৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

যদিও একমাসেই বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ২৬৬ কোটি টাকা। ত

বে করোনায় গোটা বিশ্বের এভিয়েশন খাত গুটিয়ে রইলেও বিমান অল্পস্বল্প আয় করায় আশার আলো দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্যমতে, করোনা ভাইরাসের কারণে মার্চের শেষদিকে বিমানের সব রুট বন্ধ হয়ে যায়। তার পরই বিকল্প আয়ের চিন্তা করে বিমান কর্তৃপক্ষ।

করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে গড়ে বিমানের যাত্রী কমে ৩৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এপ্রিলের শুরুতে এটি একেবারে শূন্যে নেমে আসে।

তবে মধ্য এপ্রিল থেকে আয়ের পথে যেতে শুরু করে বিমান। ওই সময় থেকে চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনায় নামে রাষ্ট্রায়ত্ত এ উড়োজাহাজ সংস্থা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরত আনা শুরু করে বিমান।

শুরুতে ভারত, এরপর মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, জাপান থেকে যাত্রী নিয়ে আসে। একইসঙ্গে ঢাকা থেকেও ইতালি, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেনে একাধিক চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন রুটে পণ্য পরিবহন শুরু করে সংস্থাটি।

বিমানের তথ্যানুযায়ী, এপ্রিল থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত তিন মাসে ১০৯টির বেশি চার্টার্ড ও কার্গো পণ্যবাহী ফ্লাইট পরিচালনা করেছে বিমান।

এসব ফ্লাইট থেকে ২৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে।

এর মধ্যে এপ্রিলে ৪০ কোটি, মে মাসে ৯৪ কোটি ও ২৫ জুন পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে বিমান।

Premium WordPress Themes Download
Download Nulled WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Download Premium WordPress Themes Free
free download udemy paid course