কারখানা বন্ধ ৩৪৮টি, মে মাসের বেতন দেয়নি ৭১ টি

করোনা মহামারীতে পোশাক কারখানার সীমিত আয়ের শ্রমিকদের জীবনে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা। করোনা দূর্যোগ শুরুর পর বন্ধ হওয়া ৩৪৮টি কারখানা চালু হয়নি। জিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ৭১টি তৈরি পোশাক কারখানায় এখনও শ্রমিকদের মে মাসের বেতন হয়নি। গত এপ্রিল মাসেও কয়েকটি কারখানায় গত এপ্রিল মাসেও শতভাগ বেতন পরিশোধ করা হয়নি।
Ashraful IslamJune 27, 20201min0

করোনা মহামারীতে পোশাক কারখানার সীমিত আয়ের শ্রমিকদের জীবনে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা।

করোনা দূর্যোগ শুরুর পর বন্ধ হওয়া ৩৪৮টি কারখানা চালু হয়নি।

জিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ৭১টি তৈরি পোশাক কারখানায় এখনও শ্রমিকদের মে মাসের বেতন হয়নি।

গত এপ্রিল মাসেও কয়েকটি কারখানায় গত এপ্রিল মাসেও শতভাগ বেতন পরিশোধ করা হয়নি।

বেতন ও বকেয়া পরিশোধের দাবিতে সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে শ্রমিক বিক্ষোভ।

বেতনের দাবিতে শুক্রবারও গাজীপুর শহরে মহাসড়ক আটকে বিক্ষোভ করে আলিফ কজাল লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সর্বশেষ দেওয়া তথ্যে দেখা যায়,

ইতোমধ্যে এক হাজার ৮৫৫টি পোশাক কারখানা তাদের শ্রমিকদের মে মাসের বেতন পরিশোধ করেছে।

বেতন দেওয়ার বাকি রয়েছে আরও ৭১টি কারখানা।

গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর সময় বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত পোশাক কারখানা ছিল দুই হাজার ২৭৪টি।

এর মধ্যে কারখানার সংখ্যা এক হাজার ৯২৬টিতে নেমে এসেছে, বাকি কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।

বিজিএমইএর তালিকায় দেখা যায়, ঢাকা মহানগরীর ৩৩৩টি পোশাক কারখানার মধ্যে ৩১৪টি ইতোমধ্যে বেতন পরিশোধ করেছে,

বাকি রয়েছে আরও ১৯টি।

সাভার-আশুলিয়া এলাকার ৪১২টি কারখানার মধ্যে ৩৯৭টি বেতন পরিশোধ করেছে, বাকি রয়েছে আরও ১৫টি।

গাজীপুর অঞ্চলে ৭১৩টি কারখানার মধ্যে ৬৯৩টি বেতন দিয়েছে, বাকি রয়েছে ২০টি।

নারায়ণগঞ্জ এলাকায় ১৯৮টি কারখানার মধ্যে ১৯৬টিতে বেতন দেওয়া হয়েছে, বাকি রয়েছে আরও দুটি।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৫২টি কারখানার মধ্যে ২৪০টিতে বেতন পরিশোধ করা হয়েছে, বাকি রয়েছে আরও ১২টি কারখানা।

এছাড়া অন্যান্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের ১৮টি কারখানার মধ্যে ১৫টিতে বেতন পরিশোধ করা হয়েছে।

Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
free online course