কোলেস্টেরল কমাবেন যেভাবে

রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়লে স্ট্রোক, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। অনেকে খারাপ, ভালো কোলেস্টেরল নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। কেউ কেউ মনে করেন, কোলেস্টেরলের সঙ্গে হৃদরোগের কোনো সম্পর্ক নেই। আবার কারও কারও মতে, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।

রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়লে স্ট্রোক, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। অনেকে খারাপ, ভালো কোলেস্টেরল নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। কেউ কেউ মনে করেন, কোলেস্টেরলের সঙ্গে হৃদরোগের কোনো সম্পর্ক নেই। আবার কারও কারও মতে, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।

এটা সত্যি যে, হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে কোলেস্টেরল ভূমিকা রাখে। তবে শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল থাকা ভালো নয়। এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে।

কিছু কিছু খাবার আছে, যেগুলো খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। যেমন-

দই : এতে থাকা প্রবায়োটিক উপাদান রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সঙ্গে রক্তে শর্করা ও হোমোসাসটেইনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকে।

পর্যাপ্ত পানি : পর্যাপ্ত পানি পান করলে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক থাকে। প্রতিদিন ৫ গ্লাস বা এর বেশি পানি পান করলে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি শতকরা ৫০ ভাগ কমে যায়। পর্যাপ্ত পানি পান করলে ওজনও কমে।

ধনিয়া পাতা : ধনিয়া পাতা যোগ করলে খাবারের স্বাদ বেড়ে যায়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।

জাম্বুরা : নিয়মিত জাম্বুরা খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

আদা : এটিও রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। ভালো ফল পেতে দিনের খাদ্য তালিকায় ১ হাজার মিলিগ্রাম আদা যোগ করুন। এছাড়া স্যুপ, স্টু কিংবা অন্যান্য খাবারেও আদা যোগ করতে পারেন।

গ্রিন টি : কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত গ্রিন টি খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্লাভোনল, হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভালো ফল পেতে দিনে দুই থেকে তিনবার গ্রিন টি খেতে পারেন। সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড

Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
free online course