যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার পানশালায় হামলা চালানোর ব্যক্তির পরিচয় জানা গেছে। তিনি একজন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নৌ সেনা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার পানশালায় হামলাকারী সাবেক নৌ সেনা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার পানশালায় হামলা চালানোর ব্যক্তির পরিচয় জানা গেছে। তিনি একজন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নৌ সেনা বলে পুলিশ জানিয়েছে। খবর ডেইলি মেইলের।

লস এঞ্জেলেসের প্রায় ৪০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে বোর্ডলাইন বার অ্যান্ড গ্রিলে স্থানীয় সময় রাত ১১ টা ২০ মিনিটে ২৯ বছর বয়সী ইয়ান ডেভিড লং এই হামলা চালায়। এতে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্ততপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। হামলার পর বারের ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে ইয়ান লং-কে।

গতবছরের এপ্রিলে তার বাসায় একটি ঘটনার পর মানসিক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের দেখানো হয় ইয়ানকে। পরে বিশেষজ্ঞরা তাকে সুস্থতার ছাড়পত্র দেয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে এই তথ্য জানতে পেরেছে স্থানীয় পুলিশ।

ঘটনাস্থল থেকে বেঁচে আসা ব্যক্তিরা জানায়, ইয়ান লং একদম ঠান্ডা মাথায় গুলি করেছেন। তিনি কি করছেন সেটা তিনি সেটা জেনে বুঝেই করছিলেন। লাইসেন্স করা পিস্তল গ্লক পয়েন্ট ফোরটি ফাইভ দিয়ে তিনি বার বার গুলি করেছেন। হামলার সময় পানশালাটিতে সংগীত অনুষ্ঠান চলছিল এবং কমপক্ষে ২শ’ মানুষ উপস্থিত ছিল। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল কলেজ শিক্ষার্থী।

কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ বেঁচে ফিরেছেন। গুলি থেকে বাঁচতে কেউ পুল টেবিলের নিচে লুকান, কেউ টুল দিয়ে জানালা ভেঙে পালানোর চেষ্টা করেছেন। অনেকে টয়লেটেও আশ্রয় নেয়। হামলাকারী স্মোক গ্রেনেড ব্যবহার করে উপস্থিত ভিড়কে ভড়কে দেয়ার চেষ্টা করেন।

গুলির ঘটনা শুরু হওয়ার মাত্র তিন মিনিট পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে উপস্থিত হয়। সেখানে বন্দুকধারীর সঙ্গে তাদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে ডেপুটি শেরিফ রন হিলাস গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় লস রবলেস হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি সেখানে মারা যান।

কিছুক্ষণ পর সোয়াট টিম ঘটনাস্থলে এসে পোঁছায়। তারা বারের ভেতর থেকে ১১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এই সময় হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মোট ১৩ জন এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। পানশালার ভেতরে ১১ জন, একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং হামলাকারী ইয়ান লং।

সাবেক নৌ সেনা ইয়ান লং নিউবারি পার্ক এলাকায় থাকতেন। চলতি বছরের এপ্রিলে তার বাসায় অশৃঙ্খল আচরণ করলে পুলিশ তার বাড়িতে যায়। ইয়ান লং তখন ‘অযৌক্তিক’ এবং ‘ক্রুদ্ধ’ আচরণ শুরু করলে পুলিশ মানসিক বিশেষজ্ঞদের ডেকে আনেন। তবে চিকিৎসকরা তার মধ্যে অস্বাভাবিক কোনো কিছু খুঁজে পায়নি বলে ছাড়পত্র দেয়।

Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
free download udemy course