গ্যাস্ট্রিক থেকে বাঁচতে যা করবেন

গ্যাস্ট্রিক হল পাকস্থলীতে এসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং ক্ষতের সৃষ্টি করা। সাধারণত অতিরিক্ত ঝাল, মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারে গ্যাস্ট্রিক বেশি হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক হল পাকস্থলীতে এসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং ক্ষতের সৃষ্টি করা। সাধারণত অতিরিক্ত ঝাল, মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারে গ্যাস্ট্রিক বেশি হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক হলে সাধারণত নাভির ওপরে পেটে ব্যথা হয়। খালি পেটে কিংবা ভোররাতের দিকে ব্যথা তীব্র হয়। গলা-বুক-পেট জ্বলে, টক ঢেঁকুর ওঠে। ঝাল-তেল-মসলা জাতীয় খাবারে ঝামেলা বেশি করে।

প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে দুপুর ও রাতের খাবার খাবেন। একবারে বেশি পরিমাণে না খেয়ে অল্প করে বারবার খান। ধূমপান ও মদপানকে এড়িয়ে চলুন।

ঘুমানোর কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেট খারাপ বা বমির ওষুধ কিনে খাবেন না। অতিরিক্ত তেল ও মসলা দেয়া খাবার খাবেন না। বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়ির তৈরি খাবার খান। তাজা খাবার খান, স্টোর করা বা ফ্রোজেন ফুড কম খাবেন।

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমান। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা অনেক সময় এসব সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। তাই মানসিক চাপ নেবেন না।

তৈলাক্ত খাবার বাদ দিতে চেষ্টা করুন। মাংস, ডিম, বিরিয়ানি, মোগলাই, চায়নিজ খাবার যা-ই খান না কেন, তা দুপুরের মেন্যুতে অন্তর্ভুক্ত করুন। রাতের খাবারটি যেন হালকা হয়। শাকসবজি, ছোট মাছ এসব দিয়ে রাতের মেন্যু সাজান।

খাওয়ার পরপরই অনেক বেশি পানি পান করার প্রবণতা বাদ দিন। ভাত খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন। দিনে কিংবা রাতে খাওয়ার পরপরই অনেকে শুয়ে পড়তে পছন্দ করেন। এটা না করে কিছুক্ষণ আস্তে আস্তে হাঁটাচলা করতে পারেন অথবা বসে থাকতে পারেন সোজা হয়ে। অন্তত ৩০ মিনিট পর ঘুমাতে যান।

Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
online free course