টেস্টার দিয়ে মিলনের চোখ তুলে হাসপাতালে নিয়ে বলা হয় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট!

টেস্টার দিয়ে খুঁচিয়ে মিলন নামে এক যুবকের চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বেল্লাল হোসেন লিমনের (১৮) পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ১২ এপ্রিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা করার পর আসামিরা বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলেও দাবি করেছে লিমনের পরিবার।

টেস্টার দিয়ে খুঁচিয়ে মিলন নামে এক যুবকের চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বেল্লাল হোসেন লিমনের (১৮) পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ১২ এপ্রিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা করার পর আসামিরা বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলেও দাবি করেছে লিমনের পরিবার।

লিমন বাড়ি উপজেলার ১০ নং গোড়াই ইউনিয়নের বানিয়ারচালা রাজাবাড়ি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) মিলনের মা জাহানারা বেগম ও বড় বোন নাছরিন সংবাদমাধ্যমে জানান, রাজাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মামুন (২৩), মাজেদ দেওয়ানের ছেলে আলামিন (১৯) ও দাড়িয়াপুর গ্রামের লুলু হোসেনের ছেলে কবির হোসেনের (৩৫) সঙ্গে তাদের পারিবারিক বিরোধ ছিল। প্রতিশোধ নিতে তারা মিলনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। এরপর গত ১২ এপ্রিল বিকালে মিলনকে মমিননগরের আলিম মুনসির বাসায় নিয়ে যান মামুন, আলামিন ও কবির। বাসার ছাদে নিয়ে মিলনের হাত-পা বেঁধে প্রথমে টেস্টার ঢুকিয়ে দুটি চোখ অন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর লাঠি ও রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।

ওই সময় ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য আসামিরা মিলনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর পরিবারকে ফোন করে জানায়, মিলন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে। মিলনের পরিবার হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তারা পালিয়ে যায়। মিলনের বাবা গিয়াস উদ্দিন, মা জাহানারা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে আসল ঘটনা জানতে পারেন।

মিলনের মা জানিয়েছেন, কুমুদিনী হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার করা হলেও চোখ দুটি রক্ষা করা যায়নি।

ঘটনার পর মিলনের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে মামুন, আলামিন ও কবিরকে আসামি করে গত ৯ মে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামি মিলনের পরিবারকে হুমকি ও চাপ সৃষ্টি করে আসছে বলে অভিযোগ তাদের। এ অবস্থায় পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে মির্জাপুর থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামি মামুন ও আলামিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি কবির পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Premium WordPress Themes Download
Download Best WordPress Themes Free Download
Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
free online course