ডায়াবেটিস প্রতিরোধে প্রতিদিন একটি করে ডিম

ফিনল্যান্ডের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ডায়াবেটিসের জন্য ডিম ভালো না খারাপ সেটা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এই ফল পান। মলিকিউলার নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড জার্নালে সম্প্রতি এ গবেষণার ফল নিবন্ধ আকারে প্রকাশ করা হয়।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, দিনে একটি করে ডিম খেলে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

ফিনল্যান্ডের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ডায়াবেটিসের জন্য ডিম ভালো না খারাপ সেটা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এই ফল পান। মলিকিউলার নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড জার্নালে সম্প্রতি এ গবেষণার ফল নিবন্ধ আকারে প্রকাশ করা হয়।

গবেষকরা ডিম ডায়াবেটিসের জন্য ভালো না খারাপ-দুইভাবেই তা পরীক্ষা করেন। এতে দেখা যায়, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ডিম দারুণ উপকারী।

গবেষণার জন্য ডিম গ্রহণকারী একদল ব্যক্তির ওপর ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট ফিনল্যান্ডের গবেষকরা পরীক্ষা চালান। গবেষণায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা নিয়মিত ডিম খান, তাদের রক্তে লিপিড প্রোফাইল এমন এক পর্যায়ে থাকে, যা সাধারণত যাদের কখনই ডায়াবেটিস হয় না, তাদের মধ্যে দেখা যায়।

টাইপ-১ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাদ্যাভাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। যারা টাইপ-১ ডায়াবেটিসে ভুগছেন তারা শরীরে ইনসুলিন তৈরি করতে পারেন না, যা শরীরের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের জন্য খুবই দরকারি।অন্যদিকে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে দেহে ইনসুলিন তৈরি হলেও তা অপর্যাপ্ত।অর্থাৎ তাদের দেহে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকে।

ডিম নানা পুষ্টিতে ভরপুর একটি খাবার। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ওপর এর প্রভাব কেমন হবে তা নিয়ে গবেষকরা এখনও ধাঁধায় রয়েছেন।

যেমন- আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন বলছে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটা খুব ভালো। প্রতিটি ডিমে দশমিক ৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য দারুণ কার্যকরী। ডিমে থাকা পটাশিয়াম রক্তে সোডিয়াম, বায়োটিনের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে শরীরে ভাল পরিমাণে ইনসুলিন উৎপন্ন হয়। এতে  ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। সেই সঙ্গে হৃৎপিণ্ডও ভাল থাকে। এছাড়া এতে কম ক্যালরি থাকে এবং বহুমুখী পুষ্টি উপাদানের দিক থেকেও এটি বেশ সমৃদ্ধ।

অন্যদিকে ডিমের বিপক্ষেও কিছু প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা। এতে কোলেস্টেরল থাকায় বেশি পরিমাণে ডিম খেলে সুস্থ মানুষেরও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এছাড়া এতে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন রয়েছে। এটিও বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। নতুন গবেষণাটিতেও ডিম গ্রহণকারী অংশগ্রহণকারীদের রক্তে এমন কিছু জৈব রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা রোগটির শঙ্কা বাড়ায়।

সবদিক বিবেচনা করে গবেষকরা বলছেন, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে নিয়মিত পরিমিত মাত্রায় ডিম খেতে পারেন। সেক্ষেত্রে দিনে একটি করে ডিম খাওয়াই ভালো। সূত্র: ডেইলি মেইল

Download Nulled WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
Download WordPress Themes Free
Download Premium WordPress Themes Free
udemy paid course free download