ডা. শাহ আলমকে লেগুনায় হত্যার পর রাস্তার পাশে ফেলে দেয়া হয়

আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বর্ণনা করে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) আনুমানিক রাত ৮টার দিকে ফারুককে তার সহযোগীরা ফোন করে তার চালিত লেগুনাটি (গাড়ি) নিয়ে চেরাকান্দী এলাকায় যাওয়ার জন্য বলে। উক্ত এলাকায় যাওয়ার পর অন্যান্য আসামিরা গাড়িতে উঠে এবং তারা গাড়িতে যাত্রী নেওয়ার জন্য রাস্তায় গাড়ি চালাতে থাকে। আনুমানিক রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছোট কুমিরা আসার পর একজন যাত্রী গাড়ি থামানোর জন্য সংকেত দিলে তারা গাড়িটি থামিয়ে যাত্রীকে গাড়িতে নেয়। এরপর গাড়িটিকে-বাই নামক জায়গায় গেলে তাদের আরও কিছু সহযোগী গাড়িতে উঠে। গাড়ি চালাতে চালাতে রয়েল গেইট পর্যন্ত যাওয়ার পর গাড়িতে থাকা ছিনতাইকারী চক্র ভিকটিম ডা. মো. শাহ আলমের কাছ থেকে টাকা পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ডাক্তার মো. শাহ আলম টাকা পয়সা ও জিনিসপত্র দিতে অস্বীকৃতি জানালে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ছিনতাইকারীরা ছুরিকাঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে। এরপর তারা গাড়িটি নিয়ে কুমিরা ঘাটঘর এলাকায় গিয়ে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে আসামিরা লেগুনাটি নিয়ে সাগরপাড়ে যায় এবং সেখানে লেগুনাটি ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ধৌত করে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকার গরিবের ডাক্তার নামে পরিচিত ডা. মো. শাহ আলম হত্যার মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তার নাম মো. ফারুক (১৯)।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে র‌্যাবের অভিযানে নগরীর কোতোয়ালী থানার রেল স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘বিন মনসুর পরিবহন’ নামক লেগুনাটি জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার পরবর্তি সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর এএসপি তারেক আজিজ। তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড থানার নতুন পাড়ার (কামাল সওদাগরের বাড়ি) আইয়ুব আলীর ছেলে। আসামি মো. ফারুক চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বর্ণনা করে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) আনুমানিক রাত ৮টার দিকে ফারুককে তার সহযোগীরা ফোন করে তার চালিত লেগুনাটি (গাড়ি) নিয়ে চেরাকান্দী এলাকায় যাওয়ার জন্য বলে। উক্ত এলাকায় যাওয়ার পর অন্যান্য আসামিরা গাড়িতে উঠে এবং তারা গাড়িতে যাত্রী নেওয়ার জন্য রাস্তায় গাড়ি চালাতে থাকে। আনুমানিক রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছোট কুমিরা আসার পর একজন যাত্রী গাড়ি থামানোর জন্য সংকেত দিলে তারা গাড়িটি থামিয়ে যাত্রীকে গাড়িতে নেয়। এরপর গাড়িটিকে-বাই নামক জায়গায় গেলে তাদের আরও কিছু সহযোগী গাড়িতে উঠে। গাড়ি চালাতে চালাতে রয়েল গেইট পর্যন্ত যাওয়ার পর গাড়িতে থাকা ছিনতাইকারী চক্র ভিকটিম ডা. মো. শাহ আলমের কাছ থেকে টাকা পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ডাক্তার মো. শাহ আলম টাকা পয়সা ও জিনিসপত্র দিতে অস্বীকৃতি জানালে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ছিনতাইকারীরা ছুরিকাঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে। এরপর তারা গাড়িটি নিয়ে কুমিরা ঘাটঘর এলাকায় গিয়ে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে আসামিরা লেগুনাটি নিয়ে সাগরপাড়ে যায় এবং সেখানে লেগুনাটি ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ধৌত করে।

এ হত্যাকাণ্ডে ফারুকসহ মোট ৫ জন জড়িত আছেন। তদন্ত সাপেক্ষে বাকিদের নাম প্রকাশ করেননি তারেক আজিজ।

Free Download WordPress Themes
Download WordPress Themes Free
Free Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
free download udemy course