ঢাকা উত্তর সিটির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিজ হাতে খাওয়ালেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

ঢাকা উত্তর সিটির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিজ হাতে দুপুরের খাবার তুলে দিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এ সময় একই খাওয়ার টেবিলে বসা তিনজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ সবাইকে খাবার পরিবেশন করেন মন্ত্রী।

ঢাকা উত্তর সিটির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিজ হাতে দুপুরের খাবার তুলে দিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

এ সময় একই খাওয়ার টেবিলে বসা তিনজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ সবাইকে খাবার পরিবেশন করেন মন্ত্রী।

বুধবার সকালে রাজধানীর উত্তরা ৬নং সেক্টরে অবস্থিত কমিউনিটি সেন্টারে গেল ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করায় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

শোকের মাস আগস্টে এ কর্মসূচি আয়োজন করায় সাথে দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন ছিল।

এ সময় জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আগে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মানুষই মনে করা হতো না।

কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলতেন, তারাও মানুষ। সবারই নিজ নিজ জীবন উন্নত করার স্বপ্ন দেখার অধিকার আছে।

তাদের সুন্দর জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। ভালোভাবে থাকা-খাওয়ার অধিকারও আছে।

তাই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য গাবতলীতে চারটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

যেখানে প্রায় ৫ শতাধিক কর্মীর বাসস্থানের সংস্থান হবে। যা বাস্তবায়ন হলে একটি অনূকরণীয় দৃষ্টান্ত হবে বলে মনে করি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তাজুল ইসলাম আরও বলেন, শহরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফল করে তুলতে হলে সবার অংশ গ্রহণ লাগবে।

যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না। মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাউন্সিলরদের আরও আন্তরিক হতে হবে।

মশাবাহিত রোগ ব্যাধি আগের চেয়ে অনেক কম উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শহরকে বাসযোগ্য পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশা-মাছির বিস্তার রোধ করা কঠিন হলেও আমরা সেই কঠিন কাজগুলো মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, মশা নিধনে নতুন ওষুধ গ্র্যানিউলস আসছে এ মাসেই।

মাননীয় মন্ত্রীর সহযোগিতায় আমরা সিন্ডিকেট ভেঙে এ ওষুধ আমদানি করছি। যা চলতি মাসে এসে পৌঁছাবে।

মেয়র বলেন, আগে মশার ওষুধ কেনায় বড় সিন্ডিকেট ছিল। আমরা সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছি।

আমরা নতুন ধরনের গ্র্যানিউলস ওষুধ, জমে থাকা পানিতে এ ওষুধ রেখে দিলে সেখানে আর এডিস মশা বংশ বিস্তার করবে না।

এ মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে এ ওষুধ ডিএনসিসিতে চলে আসবে।

এ সময় মেয়র বিভিন্ন সময় সহযোগিতা এবং উদারতার জন্য স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর প্রশংসাও করেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর সাইদুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
free download udemy course