নূর হোসেনকে ‘ইয়াবাখোর’ বলায় ক্ষমা চাইলেন রাঙ্গা

নিজের ভুল বুঝতে পেরে মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, নূর হোসেন সুস্থ ছিল না, সে বিকৃত মানুষ ছিল। সে হয় ফেনসিডিল বা ইয়াবা; তখন তো ফেনসিডিল ও ইয়াবা আসলে তো ছিল না, পাওয়া যেত না। কাজেই এই কথাটুকু বলার কারণে আমার যতটুকু দোষ। তাছাড়া কোনো দোষ আমার নেই। এটুকুই তারা ধরে বসেছে এবং তারা সেই বিষয়টি নিয়ে আজ সব জায়গায় আলোচনাও করেছে। আমি তো মনে করি না যে খুব বেশি রাপ ভাষায় কথা হয়েছে। তারপরও আমি বলি, ওই দুটা যে শব্দ আমি উচ্চারণ করেছি, এর জন্য অবশ্যই ক্ষমা চাই। আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং অবশ্যই আমি ক্ষমা চাই। শব্দ দুটা ব্যবহার করা আমার উচিত হয়নি।’

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ নূর হোসেনকে ‘ইয়াবাখোর’ ও ‘ফেনসিডিলখোর’ বলায় ক্ষমা চেয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। সোমবার রাতে একটি বেসরকারি টিভির টক শোতে এ বিষয়ে ক্ষমা চান তিনি।

নিজের ভুল বুঝতে পেরে মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, নূর হোসেন সুস্থ ছিল না, সে বিকৃত মানুষ ছিল। সে হয় ফেনসিডিল বা ইয়াবা; তখন তো ফেনসিডিল ও ইয়াবা আসলে তো ছিল না, পাওয়া যেত না। কাজেই এই কথাটুকু বলার কারণে আমার যতটুকু দোষ। তাছাড়া কোনো দোষ আমার নেই। এটুকুই তারা ধরে বসেছে এবং তারা সেই বিষয়টি নিয়ে আজ সব জায়গায় আলোচনাও করেছে। আমি তো মনে করি না যে খুব বেশি রাপ ভাষায় কথা হয়েছে। তারপরও আমি বলি, ওই দুটা যে শব্দ আমি উচ্চারণ করেছি, এর জন্য অবশ্যই ক্ষমা চাই। আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং অবশ্যই আমি ক্ষমা চাই। শব্দ দুটা ব্যবহার করা আমার উচিত হয়নি।’

এর আগে গত রোববার দুপুরে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে আলোচনা সভায় শহীদ নূর হোসেনকে ‘ইয়াবাখোর’ ও ‘ফেনসিডিলখোর’ বলে উল্লেখ করেন মসিউর রহমান রাঙ্গা। পরে বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা ঞয়।

বনানী কার্যালয়ে আলোচনা সভাটি জাতীয় পার্টির একান্ত নিজস্ব অনুষ্ঠান ছিল উল্লেখ করে রাঙ্গা বলেন, ‘আমাদের দলীয় ইন্টারনাল কিছু প্রোগ্রাম থাকে। একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠান, আমাদের পার্টি অফিসের ভিতরে, কোনো জনসভা নয়।’

এদিকে শহীদ নূর হোসেন ‘ইয়াবাখোর’ ও ‘ফেনসিডিলখোর’ বলার প্রতিবাদে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে একটি অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে শহীদ নূর হোসেনের মা রাঙ্গাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলেন।

ওই কর্মসূচিতে নূর হোসেনের মা মরিয়ম বেগম বলেন, ‘নূর হোসেন আমার একার ছেলে না, জনগণের ছেলে। আপনারা ১০ নভেম্বর পালন করেন। এখন ওই ব্যক্তি যদি এইরকম কথা বলে, নেশাখোর বলে এর বিচার আমি চাই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালের পর থেকে ১০ নভেম্বর ‘গণতন্ত্র দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে জাতীয় পার্টি।

Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Download WordPress Themes Free
free online course