পরীমণি-কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া তিন নারী কারা?

পরীমণি ইস্যুতে নাসির-অমির সাথে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তিন নারীর একজন বৃষ্টি, অমির দ্বিতীয় স্ত্রী। বৃষ্টির ভাইয়ের দাবি, অভিযানের আগের রাতে অমির বাসায় আসেন নাসির। মামলার চতুর্থ আসামি লিপি আক্তার। যিনি নাসির উদ্দিনের স্ত্রী হিসেবে থাকতেন তারই ভাড়া করে দেয়া বাসায়। অভিযানের আগে ভোর চারটায় লিপি গিয়েছিলেন মামলার ৫ নম্বর আসামি সুমির উত্তরার বাসায়। সেখান থেকেই দু’জনকে নিয়ে যায় পুলিশ।

সম্প্রতি গত রোববার (১৩ জুন) রাতে ফেসবুক পোস্টে পরীমণি অভিযোগ করেন, গত ৯ জুন (বুধবার) উত্তরার বোট ক্লাবে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালান ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় তিনি সাভার থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। আলোচিত নায়কা পরিমণিকে নিয়ে নেট জগতে চলছে তুমুল আলোচনা। তার সাথে সাথে উঠে এসেছে নতুন কিছু।

পরীমণি ইস্যুতে নাসির-অমির সাথে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তিন নারীর একজন বৃষ্টি, অমির দ্বিতীয় স্ত্রী। বৃষ্টির ভাইয়ের দাবি, অভিযানের আগের রাতে অমির বাসায় আসেন নাসির। মামলার চতুর্থ আসামি লিপি আক্তার। যিনি নাসির উদ্দিনের স্ত্রী হিসেবে থাকতেন তারই ভাড়া করে দেয়া বাসায়। অভিযানের আগে ভোর চারটায় লিপি গিয়েছিলেন মামলার ৫ নম্বর আসামি সুমির উত্তরার বাসায়। সেখান থেকেই দু’জনকে নিয়ে যায় পুলিশ।

পরীমনির অভিযোগ করা মামলায় আসামি নাসির উদ্দিন, অমিসহ অজ্ঞাত কয়েকজন। অভিযানে এই দুজনের সাথে ধরা পড়ে তিন নারী। মাদক মামলায় তিনজনকেই আসামি দেখিয়ে পাঁচজনকেই রিমান্ডে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু কে এই তিন নারী?

যে বাসা থেকে এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয় সেই বাসাটি মূলত অমির। বাসায় থাকা বৃষ্টির ভাই আর আর ভাগ্নে পরিচয়ের দু’জন জানান, বৃষ্টি অমির দ্বিতীয় স্ত্রী। দুজনের কিছু ছবিও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের হাতে এসেছে। বৃষ্টির ভাই বলছেন, অভিযানের আগের রাতে নাসির তার বাসায় আসেন। সে সময় অমি বৃষ্টি দু’জনই ছিলো বাসায়। নাসির রাতে সেখানেই থাকেন। পরদিন গ্রেপ্তার হন।

৪ নাম্বার আসামি লিপি আক্তার থাকতেন উত্তরার ৫ নাম্বার সেক্টরের একটি বাসায়। জানা গেলো, এই বাসাটি গত বছর নভেম্বরে ভাড়া নেন নাসির উদ্দিন। মাসদুয়েক আগে সেই বাসায় ওঠেন লিপি। নাসির মাঝে মাঝে যাতায়াত করতেন। ৫ নাম্বার আসামি সুমি আক্তারের বর্তমান ঠিকানা উত্তরার ৪ নাম্বার সেক্টরের দুই নাম্বার রোডে। সাথে থাকতেন সুমির নানি। তার স্বামী আশিক আসতেন মাঝে মাঝে।

নাসির গ্রেপ্তার হওয়ার দিন ভোরে সুমির বাসায় আসেন লিপি আক্তার। কিছুক্ষণ পরই আসে পুলিশ। পরীমণির অভিযোগের সাথে এই তিন নারীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে মাদক মামলার আসামি হয়ে ৩ দিনের পুলিশি রিমান্ডে আছেন তারা।

এরআগে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্তের জন্য কথা বলতে রাজধানীর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে গেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে তিনি মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে যান।

Download Nulled WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
Free Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
free download udemy course