ফাইনালে বাংলাদেশের এই দৃশ্যের কথা মনে হয়েছিল স্টোকসের

বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্যাট করার সময় বাংলাদেশের একটি ম্যাচের কথা মনে পড়েছিল বেন স্টোকসের। আর সে কারণেই ছক্কা হাঁকানোর বিলাসিতা না দেখিয়ে সিঙ্গেলস-ডাবলসে জোর দেন বিশ্বকাপের নায়ক।  লর্ডসের ফাইনালে শেষ বলে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ২ রান। ট্রেন্ট বোল্টের বলে স্টোকস ২ রান নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে দৌড়লেও সতীর্থ মার্ক উড ক্রিজে পৌঁছাতে না পারায় রান আউট হয়ে যান। টাই হয় ম্যাচ। খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সুপার ওভারও টাই হলে বাউন্ডারি সংখ্যার বিচারে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্যাট করার সময় বাংলাদেশের একটি ম্যাচের কথা মনে পড়েছিল বেন স্টোকসের। আর সে কারণেই ছক্কা হাঁকানোর বিলাসিতা না দেখিয়ে সিঙ্গেলস-ডাবলসে জোর দেন বিশ্বকাপের নায়ক।  লর্ডসের ফাইনালে শেষ বলে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ২ রান। ট্রেন্ট বোল্টের বলে স্টোকস ২ রান নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে দৌড়লেও সতীর্থ মার্ক উড ক্রিজে পৌঁছাতে না পারায় রান আউট হয়ে যান। টাই হয় ম্যাচ। খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সুপার ওভারও টাই হলে বাউন্ডারি সংখ্যার বিচারে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।

রক্তচাপ বাড়ানো মুহূর্ত প্রসঙ্গে স্টোকস বলেন, ‘শেষ বলটায় বার বার মনে পড়ছিল বাংলাদেশ বনাম ভারতের ম্যাচটার কথা। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ম্যাচটা হেরে গিয়েছিল। মনে মনে নিজেকে বোঝাচ্ছিলাম, নায়ক হতে যেও না। ঝুঁকি নিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে এসো না।’ তাই চাপের মুহূর্তেও স্টোকসকে শান্ত দেখিয়েছে।

২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে যায় তামিম-মুশফিকরা। জয়ের খুব কাছে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ চার মারতে গিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। বাংলাদেশের জিততে প্রয়োজন তখন মাত্র এক রান। ঠিক সেই সময়ে মাঠে নামেন শুভাগত হোম। পাণ্ডিয়ার শেষ বলটা তাঁর ব্যাটে লাগেনি। নন স্ট্রাইক এন্ডে দাঁড়ানো মোস্তাফিজুর রহমান ছুটতে শুরু করে দেন। শুভাগতও উইকেট ছেড়ে দৌড় শুরু করেন। বল ধোনির হাতে পৌঁছাতেই বিদ্যুৎ গতিতে উইকেট ভেঙে দেন। বাংলাদেশের স্বপ্নও ভেঙে যায়। শেষের দিকে জেতার জন্য বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ‘হারাকিরি’ করে বসেন। একের পর উইকেট ছুড়ে দেন তাঁরা। মাহমুদউল্লাহর উইকেট দিয়ে আসা দেখে শিক্ষা নেন স্টোকস।

ম্যাচে বড় শট খেলতে গিয়ে অনর্থক উইকেট ছুড়ে আসার যে ভুল বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা করেছিলেন তিন বছর আগে, তার পুনরাবৃত্তি করতে চাননি স্টোকস। ধীরে ধীরে জয়ের কাছেই পৌঁছানোই লক্ষ্য ছিল তাঁর। ফাইনালের পরে তিনি বলেন, ‘আমি ধীরে ধীরেই জয়ের কাছে পৌঁছাতেই পছন্দ করি। তাই, চার মেরে ম্যাচ জেতানোর থেকেও আমার লক্ষ্য ছিল ম্যাচটাকে সুপার ওভারে টেনে নিয়ে যাওয়া।’

Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes
free download udemy course