বাজারে আসছে কৃত্রিম মাংস!

প্রাণীর কোষ থেকে মাংস তৈরি এখন আর কল্পকাহিনী নয়। থ্রি-ডি প্রিন্টার ব্যবহার করে মহাকাশ স্টেশনে গরু ও খরগোশের মাংস এবং মাছের টিসু উৎপাদন করা হয়েছে। খবর- এএফপি।

প্রাণীর কোষ থেকে মাংস তৈরি এখন আর কল্পকাহিনী নয়। থ্রি-ডি প্রিন্টার ব্যবহার করে মহাকাশ স্টেশনে গরু ও খরগোশের মাংস এবং মাছের টিসু উৎপাদন করা হয়েছে। খবর- এএফপি।

সম্প্রতি রাশিয়ার এক মহাকাশচারী আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই কৃত্রিম মাংস তৈরি করেছেন। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাংস সুপার মার্কেটে আসা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার!

মঙ্গল অভিযানের মতো দীর্ঘ সময় ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিশেষত এই উদ্ভাবনা জরুরি। ইসরায়েলি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আলেফ ফার্মস মহাকাশ স্টেশনে এই প্রাণিকোষ সরবরাহ করে।

আলেফ ফার্মের সিইও দিদিয়ার তৌবিয়া বলেন, আমাদের লক্ষ্য বিশ্বে এই মাংস বিক্রি করা। এই ধারণা প্রচলিত কৃষি খামারের বিকল্প হবে না, তবে ডেইরি ফার্মের ভালো বিকল্প হবে।

এর আগে ডাচ বিজ্ঞানী মার্ক পোস্ট ২০১৩ সালে গরুর মাংসের বার্গার আকৃতির স্টেমসেল তৈরি করেন। এর উৎপাদন খরচ বেশ বেশি। তাই সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রির জন্য প্রযুক্তি উন্নয়নের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এদিকে কৃত্রিম মাংস বাজারে আসা প্রসঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়ার জাস্ট কোম্পানির সিইও জোস টিটরিক বলেন, কৃত্রিম মাংস বাজারে সরবরাহে এই বছরটা লাগতে পারে। এই মাংস বিপুল সংখ্যক রেস্তোরায় সরবরাহ করা হবে।

অন্যদিকে ফর্ক অ্যান্ড গুডডির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও নিয়া গুপ্তা বলেন, এই ধরনের কৃত্রিম মাংস সুপার মার্কেটে আসতে পাঁচ থেকে বিশ বছর সময় লাগতে পারে।

Download Premium WordPress Themes Free
Download WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
Download WordPress Themes
online free course