বিএনপি অংশ নিচ্ছে না উপজেলা নির্বাচনে!

নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি নেবে না সেটা নিয়ে দলের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। জানা গেছে, দলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি বড় অংশ এ নির্বাচন বর্জনের পক্ষে। তবে তফসিলের পর দলের নীতিনির্ধারকরা এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলেও আতঙ্ক এখনও কাটেনি।

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে । ইসি সূত্র জানিয়েছে, আগামী মাসের প্রথম দিকে ঘোষিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল।

এদিকে এই নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি নেবে না সেটা নিয়ে দলের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। জানা গেছে, দলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি বড় অংশ এ নির্বাচন বর্জনের পক্ষে। তবে তফসিলের পর দলের নীতিনির্ধারকরা এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলেও আতঙ্ক এখনও কাটেনি।

সারা দেশ থেকে সংসদ নির্বাচনের অনিয়ম ও জালিয়াতির তথ্য সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা করছি। এ অবস্থায় আবার উপজেলা নির্বাচন। এ নিয়ে আমরা কোনো আলোচনা করিনি। সময় হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপি হয়তো উপজেলা নির্বাচনে যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তফসিল ঘোষণার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনই প্রমাণ করে দলীয় সরকার ও বর্তমান সিইসির অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। বরং নির্বাচনে অংশ না নিলে নেতাকর্মীরাও হামলা-মামলার মুখে পড়বে না।

অন্যদিকে দলের আরেকটি অংশ আবার উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ার পক্ষে। তারা বলছেন, গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিএনপিকে নির্বাচনে যাওয়া উচিত। তাহলে নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র দেশবাসী ও বহির্বিশ্ব জানবে। নির্বাচনে গেলে সংসদ নির্বাচনে ‘ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির যে অভিযোগ, তা আরো মজবুত হবে।

সূত্র জানায়, একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রথমবারের মতো বিএনপির সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানান, বৈঠকের পুরো সময়ই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপিতে তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেখানে দলের কোনো সিনিয়র নেতা উপস্থিত ছিলেন না। সেখানে বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে নেতারা মতামত দেন।

একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাদের মতামত জানতে চান। সেখানে উপস্থিত সবাই নির্বাচনে না যাওয়ার পক্ষে মত দেন। তারা বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ভোট ডাকাতির নির্বাচন বলছি। এখন যদি সেই সিইসির অধীনেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেই, তাহলে বিশ্বাযোগ্যতা নষ্ট হবে।

Download Premium WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
download udemy paid course for free