বিদ্যুৎ বিল কমানোর ১০ উপায়

পরিবারের মাসিক খরচের মধ্যে বিদ্যুৎ বিল অন্যতম। অন্যান্য খরচের আপনি যে হিসাবই করুন, বিদ্যুৎ বিলের হিসাব মাথায় রাখতেই হয়। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ বিল ধারণার চেয়ে বেশি হয়ে যায়। কিন্তু একটু সতর্ক হলে বিদ্যুৎ বিল অনেকটা কমিয়ে ফেলা যায়। এজন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখলেই যথেষ্ট।

পরিবারের মাসিক খরচের মধ্যে বিদ্যুৎ বিল অন্যতম। অন্যান্য খরচের আপনি যে হিসাবই করুন, বিদ্যুৎ বিলের হিসাব মাথায় রাখতেই হয়।

মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ বিল ধারণার চেয়ে বেশি হয়ে যায়।

কিন্তু একটু সতর্ক হলে বিদ্যুৎ বিল অনেকটা কমিয়ে ফেলা যায়। এজন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখলেই যথেষ্ট।

১. মোবাইল ফোনে চার্জ শেষ হবার পর বিদ্যুৎ লাইনের সুইচটি অফ রাখুন। কারণ সুইচ অন থাকলে কিছুটা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হয়।

২. বাতির ক্ষেত্রে সিএফএল বা এলইডি ব্যবহার করুন।  সিএফএল বা এলইডিতে ফিলামেন্টের তুলনায় সার্কিট ব্যবহার হওয়ায় বিদ্যুতের খরচ কমে।

৩. বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার সময় যন্ত্রটির স্টার রেটিংয়ে দেখুন। যে যন্ত্রের স্টার রেটিং যত বেশি তার বিদ্যুৎ খরচ ততো কম।

৪. পুরনো তার বা পুরনো ইলেক্ট্রিক যন্ত্রে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়।

তাই ১০ থেকে ১৫ বছরের পুরনো যন্ত্র ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসতে পারে।

৫. ঘন ঘন এসি চালু ও বন্ধ করলে বিদ্যুৎ খরচ বেশি। একটানা চালিয়ে রাখাই ভালো। তাহলে কম ইউনিট ব্যবহার হবে।

৬. এসির আউটলেট রোদহীন স্থানে রাখতে হবে। রোদ পড়লে এসির আউটলেট গরম হয়। বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়।

৭. এসির তাপমাত্রা সাধারণত ২৪ ডিগ্রির নীচে না নামানো ভালো। ২৪ ডিগ্রির নীচে নামালে অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।

৮. ফ্রিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দিনে এক ঘণ্টা বন্ধ রাখুন। এতে যন্ত্রও বিশ্রাম পাবে, বিদ্যুৎও বাঁচবে।

৯. ফ্রিজে কোনো খাবার রাখার আগে সেই খাবার ঠাণ্ডা করে নিন। তাতে বিদ্যুৎ খরচ কম হবে।

১০. আপনার ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রগুলো নিয়মিত সার্ভিসিং করান। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমবে।

Download Nulled WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Download WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
free online course