বিশ্বকে করোনা থেকে মুক্তির প্রার্থনা ঈদ জামাতে

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ঈদুল আজহার ছয়টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি জামাত শেষে করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বকে মুক্ত এবং আক্রান্ত ও মৃতদের জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে। শনিবার (০১ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে শুরু করে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই ছয়টি জামাতে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ঈদুল আজহার ছয়টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি জামাত শেষে করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বকে মুক্ত এবং আক্রান্ত ও মৃতদের জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

শনিবার (০১ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে শুরু করে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই ছয়টি জামাতে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।

দোয়া প্রার্থনায় জাতীয় মসজিদের পেশ ইমামরা বলেন, আল্লাহ যারা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন, তাদের আপনি শাহাদাতের মর্যাদা দান করে দিন। হে আল্লাহ, যারা অসুস্থ আছেন, দয়া করে তাদের শেফা দান করেন।

এই মহামারি ও রোগ ব্যাধি থেকে আমাদের সবাইকে হেফাজত করেন। এই মহামারি থেকে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বকে আপনি মুক্তি দিন। এছাড়াও আগস্ট মাস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের জন্য দোয়া করা হয়।

নামাজ শেষে মুসল্লিরা জানান, পবিত্র ঈদের দিনে আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি বিশ্ব যেন করোনামুক্ত হয়।

এছাড়া আল্লাহপাক সব দুর্যোগ থেকে যেন আমাদের রক্ষা করেন এই প্রার্থনা করা হয়েছে।

জাতীয় মসজিদে বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ আদায় করতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন মুসল্লিরা। প্রথম জামাতে দেশের বরেণ্য ব্যক্তিরাও অংশ নেন।

প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান।

এসময় মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ ক্বারী কাজী মাসুদুর রহমান।

নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। করোনার কারণে নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কোলাকুলি থেকে বিরত থাকলেও পরস্পরে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এছাড়া ঈদুল আজহায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আরো পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিতীয় জামাত শুরু হয় ৭টা ৫০ মিনিটে, তৃতীয় জামাত হবে ৮টা ৪৫ মিনিটে, চতুর্থ জামাত ৯টা ৩৫ মিনিটে, পঞ্চম জামাত সাড়ে ১০টায় এবং ১১টা ১০ মিনিটে শুরু হয় শেষ ঈদ জামাত। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদুল আজহার নামাজে অংশ নেন মুসল্লিরা।

দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, মুকাব্বির ছিলেন ক্বারি হাবিবুর রহমান মেশকাত।

সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মাওলানা এহসানুল হক, মুকাব্বির থাকবেন মাওলানা ইসহাক।

চতুর্থ জামাতে ইমামতি করবেন পেশ ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম, মুকাব্বির থাকবেন মো. শহীদুল্লাহ। পঞ্চম জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ূর রহমান খান, মুকাব্বির থাকবেন খাদেম হাফেজ মো. আব্দুল মান্নান। সর্বশেষ জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক উপ-পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রব মিয়া, মুকাব্বির থাকবেন খাদেম হাফেজ মো. আব্দুর রাজ্জাক।

Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
free download udemy course