বিয়ে বাড়ির অতিথিদের সাজ পোশাক

বিয়েতে শুধু কনে নয়, কনের স্বজন বা বন্ধুদের মাঝেও শুরু হয় জল্পনা কল্পনা। কেমন হবে বেড়াতে যাওয়ার পোশাক, আর সাজটাই-বা কেমন হবে। বিভিন্ন ফ্যাশন ও রূপবিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলে বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বেড়াতে যাওয়ার সাজ পোশাক
বিয়ে-বাড়ির-সাজ-পোশাক1

চলছে বিয়ের মৌসুম। বিয়েতে শুধু কনে নয়, কনের স্বজন বা বন্ধুদের মাঝেও শুরু হয় জল্পনা কল্পনা। কেমন হবে বেড়াতে যাওয়ার পোশাক, আর সাজটাই-বা কেমন হবে। বিভিন্ন ফ্যাশন ও রূপবিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলে বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বেড়াতে যাওয়ার সাজ পোশাক নিয়ে লিখেছে ফাহিমা আহমেদ।

গায়ে হলুদ, মেহেদি, বিয়ে আর বৌভাত। চার ধরনের অনুষ্ঠানের সাজ পোশাকটাও হতে হবে চার রকম। সবাই চায় নিজেকে আকর্ষণীয় লাগুক এই সব উৎসবে। পোশাকের রং, ধরন আর নির্বাচন করতে হবে অনুষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী।
একটা সময় ছিল যখন হলুদ শাড়ি লাল পাড় ছিল হলুদের অনুষ্ঠানের প্রধান পোশাক। আর ছিল গাঁদা ফুলের গহনা। সময় বদলেছে। বদলেছে পোশাকের ধরন আর সাজ। তবে হলুদ রঙের চলটা একেবারে চলে যায়নি। হলুদের সাথে গাঢ় রঙিন পোশাক হলুদেও অনুষ্ঠানকে করে তোলে প্রাণবন্ত। তাই রঙিন পোশাক বাছাই করতে হবে। এ ধরনের অনুষ্ঠানে কাতান, জামদানি শাড়ি অথবা হালফ্যাশনের সালোয়ার কামিজ পরা যেতে পারে। মেকআপও করা যায় ঘরে বসেই। ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে নিজের স্কিনটোনের সাথে মিলিয়ে। বেশি ভারী সাজ পছন্দ না করলে ভারী ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

চোখ সাজানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চোখের ধরন ও আকার অনুযায়ী চোখ সাজাতে হবে। আইব্রাও বা লাইনার ব্যবহার করতে হবে সাবধানে, যাতে লাইন বাকা না হয়। একটু গাঢ় করে লাইনার দিলে ভালো লাগবে। আই শ্যাডো বাছাই করতে হবে পোশাকের সাথে মিলিয়ে। চাইলে সোনালি বা রুপালি শ্যাডো ব্যবহার করতে পারো। মাশকারা দিতে ভুলো না। ব্লাশন দিতে হবে হালকা করে। এমনটাই ট্রেন্ড এখনকার। লিপস্টিকের ক্ষেত্রে ম্যাট বেশি ব্যাবহার হয় এখন। নকশাদার টিপ সাজটাকে পূর্ণ করবে।

অনেকেই এখন মেহেদি অনুষ্ঠান করে আলাদা করে। শাড়ির চেয়ে জমকালো সালোয়ার কামিজই ভালো এ ধরনের আয়োজনে। একই বিয়ের অনুষ্ঠান হলে এ ক্ষেত্রে সাজে ভিন্নতা আনলে ভালো লাগবে।

বিয়ে বা বৌভাতে এখন জমকালো এবং হালকা দুই ধরনের সাজ পোশাকই চলে। কাতান, জামদানি, জর্জেট, তসর, সিল্ক বা কারুকাজ করা শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ যেমনটা ইচ্ছা পরা যায় এখন। পোশাক হালকা হলে চোখ আর ঠোঁটের সাজটা গাঢ় হলে ভালো লাগবে আর পোশাক জমকালো হলে ঠোঁট আর চোখের সাজ হালকা করতে হবে। লিপস্টিকের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের শেডের কালেকশন রাখতে পার। পছন্দসই লিপস্টিক বেছে নাও ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য।
চুলের সাজটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শাড়ির সাথে খোঁপাটাই মানায় ভালো। লম্বা চুলে বেণি করলেও ভালো লাগে। খোঁপায় বা বেণিতে ফুল গুঁজলে বেশ লাগে। হতে পারে জারবেড়া বা কৃত্রিম কোনো ফুল। বিয়ে বা বৌভাতে না হলেও হলুদের অনুষ্ঠানে ফুল অবশ্যই ব্যবহার করা দরকার। এত স্নিগ্ধতা বাড়বে বই কমবে না। আর যারা চুল না বাঁধতে চাও তারা করে নিতে পারো নতুন কোনো স্টাইল। চেহারার সাথে মিলিয়ে নতুন করে একটা কাটও দিতে পারো চুলের।
অনেকেই এখন হিজাব ব্যবহার করে। অবশ্যই পোশাকের সাথে মিলিয়ে হিজাব পরতে হবে।

নিজেকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে গিয়ে খেয়াল রাখতে হবে সাজ পোশাক যেন চেহারা এবং পোশাকের সাথে মানানসই হয়। তবেই না সবাই বলবে, ‘বাহ! চমৎকার লাগছে তোমাকে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Download Best WordPress Themes Free Download
Download Best WordPress Themes Free Download
Download Premium WordPress Themes Free
Download WordPress Themes Free
udemy course download free