মঙ্গল শোভাযাত্রার ৩০ বছর, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

রাত পোহালেই নতুন বছর। আবহমানকালের বাঙালি ঐতিহ্যের বরণডালা সাজিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিপুল আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে দেশজুড়েই। রাজধানীতে রীতিমতো সাজ সাজ রব। চারুকলায় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজনে শেষ পর্যায়ের ব্যস্ততা, শিশু একাডেমীর সামনে মৃৎ ও কারুশিল্পের দোকানগুলোতে কেনাকাটার ধুম। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে চৈত্রসংক্রান্তির আসর, বৈশাখ বরণ অনুষ্ঠানের মহড়া। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা ৩০ বছরপূর্তি হবে এ বছর। ১৯৮৯ সালে সামরিক স্বৈরশাসনের হতাশার দিনগুলোতে তরুণরা এটা শুরু করেছিল। তারপর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ শোভাযাত্রা বের হয়।

রাত পোহালেই নতুন বছর। আবহমানকালের বাঙালি ঐতিহ্যের বরণডালা সাজিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিপুল আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে দেশজুড়েই। রাজধানীতে রীতিমতো সাজ সাজ রব। চারুকলায় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজনে শেষ পর্যায়ের ব্যস্ততা, শিশু একাডেমীর সামনে মৃৎ ও কারুশিল্পের দোকানগুলোতে কেনাকাটার ধুম। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে চৈত্রসংক্রান্তির আসর, বৈশাখ বরণ অনুষ্ঠানের মহড়া। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা ৩০ বছরপূর্তি হবে এ বছর। ১৯৮৯ সালে সামরিক স্বৈরশাসনের হতাশার দিনগুলোতে তরুণরা এটা শুরু করেছিল। তারপর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ শোভাযাত্রা বের হয়।

চারদিকে বড় নৈরাজ্য, অস্থিরতা। আগুন সন্ত্রাসে কাঁপা জনপদ। যৌন নিপীড়ন, ধর্ষণ, খুনসহ নানা অঘটন যেন লাগামছাড়া। অস্থির এ সময়ে দাঁড়িয়ে প্রকৃতি থেকে বিদায় নিচ্ছে বসন্ত। দরজায় কড়া নাড়ছে খরতাপের গ্রীষ্ম, পহেলা বৈশাখ।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বর্ষবরণে মাতবে পুরো দেশ। রমনার বটমূলে শেষ হয়েছে সব ধরণের প্রস্তুতি। মঙ্গল শোভাযাত্রার আনুষঙ্গিক উপকরণ তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে। হঠাৎ বৃষ্টি কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি করলেও আয়োজকরা জানালেন, প্রাণের উৎসব উদযাপনে সব বাধা তুচ্ছ।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্রসংক্রান্তি। বিদায় নিচ্ছে বঙ্গাব্দ ১৪২৫।চৈত্রের শেষ সূর্যোদয়। সময়ের আবর্তে হারিয়ে যাবে মহাকালের গর্ভে। বছরের অপ্রাপ্তি আর অপূর্ণতা নিয়ে। বছরের নতুন সূর্য ফিরবে নতুন জীবনের গল্প নিয়ে। শুভ বোধ আর সত্য সুন্দরের প্রতিরূপে। বর্ষবরণের আনন্দ আয়োজনের অপেক্ষা পুরো বাঙলায়।

রোববার থেকে হিসাবের খাতায় বসবে নতুন সংখ্যা ১৪২৬। নতুন বছরের আবাহনে মানুষের মাঝে শুভবোধ জাগ্রত করার আহ্বান জানাবে বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ। শুভ দিন সামনে রেখে, মানুষের মধ্যে শুভবোধ জাগাতে রাজধানীর সংস্কৃতি অঙ্গনে দেখা গেছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে এবারও থাকছে নানা উৎসবের আয়োজন। চিরায়ত সংস্কৃতি ও আবহমান বাংলার লোকজ ঐতিহ্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি বর্ষবরণের উৎসবে থাকছে নতুন কিছু আয়োজন। ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ছায়ানট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ, সুরের ধারাসহ নানা প্রতিষ্ঠান নিয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

শিক্ষার্থীরা অমঙ্গলকে দূর করার জন্য বাঙালির নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক, প্রাণীর প্রতিকৃতি ও মুখোশ নিয়ে শোভাযাত্রা করে। ইতোমধ্যে এটি ইউনেসকো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। স্বীকৃতি দেয়ার সময় ইউনেসকো যেসব কারণের উলেস্নখ করেছিল তার মধ্যে ছিল- এই শোভাযাত্রা অশুভকে দূর করা, সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রতীক। এ শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাঙালির ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাতিগত সব ধরনের বৈশিষ্ট্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে হস্তান্তরিত হয়।

এ বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে- ‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’।

আয়োজকরা বলছেন, এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার পুরোভাগে থাকবে মহিষ, পাখি ও ছানা, হাতি, মাছ, বক, জাল ও জেলে, ট্যাপা পুতুল, মা ও শিশু এবং গরুর আটটি শিল্প কাঠামো। এ ছাড়াও রয়েছে পেইন্টিং, মাটির তৈরি সরা, মুখোশ, রাজা-রানির মুখোশ, সূর্য, ভট, লকেট ইত্যাদি।

বর্ষবরণের সকাল শুরু হয় রমনার বটমূলে ছায়ানটের গানে। মঞ্চসজ্জার কাজ প্রায় শেষ। গানে গানে বৈশাখ আবাহনের প্রস্ততিও সম্পন্ন। দীর্ঘকাল ধরে বর্ষবরণের প্রধান আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে চারুকলা অনুষদে।

রঙ-বেরঙের লোকজ ঐতিহ্যের প্রতিরূপ নিয়ে পুরোপুরি প্রস্তুত আয়োজকরা। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনবে শান্তির সুবাতাস, বলছেন তারা।

আয়োজকদের একজন জানান, বছরটা ভালো কাটুক, আগের সব দু:খ ভুলে যাবো।

আবহমান বাঙলার লোকজ আয়োজন দেখতে চারুকলা অনুষদে ভিড় করেছেন অনেকেই। সার্বজনীন এ উৎসবে সামিল হতে উন্মুখ ভিনদেশিরাও।

শিক্ষার্থীরা নিজেদের তৈরি শিল্পকর্ম বিক্রি করেই মঙ্গল শোভাযাত্রার অর্থের জোগান দিচ্ছে।তারা জনান, এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত দামের মুখোশ রয়েছে। তবে বড় রাজা-রানীর মুখোশের দাম আরও অনেক বেশি। এ ছাড়া বড় সরাচিত্র ৫০০-১০০০ টাকা, ছোট সরাচিত্র ২০০-৫০০ টাকা, বাঘ ও পেঁচা ১০০০-১৫০০ টাকা, পাখির ট্যাপা পুতুল ১০০-৩০০ টাকা, পেপার ম্যাশ ৫-১০ হাজার টাকা, ফুল ১০০-২০০ টাকা, চিত্রকর্ম ১৫০০-৫০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জানা যায়, বাংলা বর্ষপঞ্জির শেষ মাস চৈত্রের নামকরণ হয়েছিল চিত্রা নক্ষত্রের নামে। আবহমানকাল থেকে এই জনপদে বছরের শেষ দিনটি দান, স্নান, ব্রতসহ বিভিন্ন মাঙ্গলিক আচার-অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে পালনের রীতি চলে আসছে। বাংলার লোকসংস্কৃতির বিশেষ উপাদানে পরিগণিত হয়েছে চৈত্রসংক্রান্তির এসব আয়োজন।

বছরের বিদায়বেলায় মানুষ সাধারণত অতীতের সব গ্লানি, ব্যর্থতা, রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে মুক্তির প্রত্যাশা করে। মনে আশা থাকে নতুন বছর বয়ে আনবে সুখ, শান্তি, সচ্ছলতা। এর ওপর ভিত্তি করেই কৃষিভিত্তিক এই জনপদে চৈত্রসংক্রান্তির আচার-আয়োজনগুলোর উদ্ভব হয়েছিল। চৈত্রের দহন আরো তীব্র হয় গ্রীষ্মে। সঙ্গে ঝড়-ঝাপটার দাপট। এসব থেকে রক্ষা পেতে সূর্যকে স্তুতি করে তুষ্ট রাখাই ছিল চৈত্রসংক্রান্তির লোকাচারের মূল ভাবনা।

আবহমান কাল থেকেই চৈত্রসংক্রান্তিতে গ্রামে, গঞ্জে, শহরে নানা আয়োজন থাকে। গানের দল সুরের ধারা আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে আয়োজন করেছে ‘চৈত্রসংক্রান্তি’ বা বর্ষবিদায় উৎসব। বিশিষ্ট শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত শিল্পীরা পরিবেশন করবেন সমবেত সংগীত, একক সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য ও নৃত্যনাট্য। থাকবে শিশু শিল্পীদের পরিবেশনাও। এ ছাড়া রাজধানীতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন চৈত্রসংক্রান্তির অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

প্রকৃত বাঙালি হওয়ার শপথ নিয়ে পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রভাতে রাজধানীর রমনার বটমূলে সংগীতায়োজন করে আসছে ছায়ানট। ২০০১ সালে রমনা বটমূলে উগ্রবাদীদের বোমা হামলাও রুখতে পারেনি এ আয়োজনকে।

শনিবার সকালে ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে বর্ষবরণের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে অংশ নেয় সংগঠনটি। সামাজিক সব অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষের মনে শুভবোধ জাগিয়ে তোলার মানস নিয়ে ১৪২৬ বঙ্গাব্দকে বরণ করবেন এ সংগঠনের শিল্পীরা। ‘অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ’—এই আহ্বান নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের রমনার বটমূলের প্রভাতি আয়োজন।

পহেলা বৈশাখ সকাল সোয়া ৬টায় বছরের প্রথম সূর্যোদয়কে স্বাগত জানানো হবে রাগালাপ দিয়ে। প্রত্যুষে থাকছে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা ও সৃষ্টির মাহাত্ম্য নিয়ে ভোরের সুরে বাঁধা গানের গুচ্ছ। পরের ভাগে থাকছে অনাচারকে প্রতিহত করা এবং অশুভকে জয় করার জাগরণী সুরবাণী, গান-পাঠ-আবৃত্তিতে দেশ-মানুষ-মনুষ্যত্বকে ভালোবাসবার প্রত্যয়। জাতীয় সংগীত গেয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানার আগে ছায়ানটের সভাপতি শুভবোধ জাগরণের আহ্বান জানাবেন তাঁর কথনে। ছায়ানটের এ আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থকে অনুষ্ঠান দেখা যাবে ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেলে (bit.ly/chhayanaut)।

ছায়ানটের শিল্পীদের প্রস্তুতি মহড়ায় অংশ নিয়েছেন ছায়ানটের সহসভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল, সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমেদ লিসা, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, এ টি এম জাহাঙ্গীরসহ শতাধিক শিল্পী। তাঁদের পাশে থেকে প্রেরণা জোগাচ্ছেন সন্জীদা খাতুন।

আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পর্কে লাইসা আহমেদ লিসা বলেন, আমাদের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। পহেলা বৈশাখ সকাল সোয়া ৬টায় অসিত কুমার দের রাগালাপে শুরু হবে আয়োজন। থাকবে সমবেত ও একক গান। থাকবে আবৃত্তি। এবার ছায়ানটের বড় ও ছোটদের দল সমবেত কণ্ঠে গেয়ে শোনাবে ১২টি গান। আর ১৫ জন শিল্পী একক কণ্ঠে গাইবেন নিজেদের গান।

বর্ষবরণের আরেকটি বৃহৎ আয়োজন চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবার এ আয়োজন ৩০ বছরে পা দিচ্ছে। তাই আরো বর্ণাঢ্য পরিসরে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রস্তুতি ব্যাপক হলেও এবারের শোভাযাত্রাটির চলাচলের পরিসর ছোট হবে। চারুকলার সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে ফিরবে শোভাযাত্রার যাত্রীরা। অনন্য এ আয়োজনকে ২০১৬ সালে ইউনেসকো অপরিমেয় বিশ্ব সংস্কৃতি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

চারুকলা অনুষদ ঘুরে দেখা যায়, মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশ, তুমুল কর্মব্যস্ততা। এ বছর চারুকলার ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা শোভাযাত্রার প্রস্তুতি তদারকি করছে। ‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’ বাণীকে শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ সকাল ৯টায় এ শোভাযাত্রা শুরু হবে।

সুরের ধারা ও চ্যানেল আই যৌথভাবে এবারও আয়োজন করেছে পহেলা বৈশাখের ভিন্নধর্মী আয়োজন। হাজারো কণ্ঠে বর্ষবরণের এ আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। পহেলা বৈশাখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে অষ্টমবারের মতো আয়োজিত হবে এ উৎসব।

সুরের ধারার চেয়ারম্যান শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, প্রতিবছর অনেক শিল্পীকে ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। কারণ এক হাজারের বেশি শিল্পী অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে দশম বর্ষ থেকে এক হাজার ৫০০ শিল্পীর অংশগ্রহণে বর্ষবরণ উদ্‌যাপন করব।

সুরের ধারার বর্ষবরণ উৎসবের এবারের প্রতিপাদ্য লোকজ সুরে বাংলা গান। এতে থাকবে দেশের জনপ্রিয় নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের পরিবেশনার পাশাপাশি চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ, ক্ষুদে গানরাজ, গানের রাজা ও বাংলার গানের শিল্পীদের পরিবেশনা। এতে নৃত্য পরিবেশন করবেন চ্যানেল আই সেরা নাচিয়ের শিল্পীরা। আরো পরিবেশিত হবে এক দল তরুণীর অংশগ্রহণে ফ্যাশন শো ও মঙ্গল শোভাযাত্রা।

ছায়ানট, চারুকলা অনুষদ, সুরের ধারা শুধু নয়, বৈশাখে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করছে বৈশাখের বর্ণিল উৎসব।

মঙ্গল শোভাযাত্রার নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা চারুকলা থেকে চিরাচরিত রুটেই যাবে। পুরো পথে সিসিটিভি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পথে কেউ মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারবে না। কারণ চারদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে মানবশিল্ড গঠন করা হবে। গতবারের মতো এবারও মুখোশ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। প্রতিবারের মতো ভুভুজেলা নিষিদ্ধ থাকবে। যদি কেউ ভুভুজেলা বাজিয়ে নারীদের উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করে তাহলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আমরা মানুষকে নিরাপদে রাখতে রমনা পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকায় কেন্দ্রীয় রাস্তা বন্ধ করে রাখব।

Premium WordPress Themes Download
Download Premium WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
udemy course download free