‘যন্ত্রণাহীন মৃত্যু’ খুঁজছিলেন সুশান্ত

‘যন্ত্রণাহীন মৃত্যু’, ‘সিজোফ্রেনিয়া’, ‘বাইপোলার ডিসঅর্ডার’ শব্দগুলো মৃত্যুর কিছুদিন আগে গুগলে খুঁজেছেন সুশান্ত। প্রয়াত বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের কম্পিউটার ও ফোনের ‘সার্চ হিস্ট্রি’ ঘেঁটে এসব শব্দ মিলেছে বলে দাবি করেছে মুম্বাই পুলিশ। গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন মুম্বাইয়ের পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং। তাঁর দাবি, মৃত্যুর আগে বারবার নিজের নাম গুগল করেন সুশান্ত সিং রাজপুত। যন্ত্রণা ছাড়া কীভাবে নিজেকে শেষ করে দেওয়া যায়, ইন্টারনেটে সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজেছিলেন সুশান্ত। সুশান্ত বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভুগছিলেন বলেও দাবি করেছে মুম্বাই পুলিশ। সেই সঙ্গে এ কথাও জানিয়েছে, চিকিৎসা চলছিল তাঁর। তিনি ওষুধও খাচ্ছিলেন। এরই সঙ্গে ‘সিজোফ্রেনিয়া’ আর ‘বাইপোলার ডিসঅর্ডার’-এর মতো শব্দও গুগল করেছিলেন সুশান্ত।

একবুক জ্বালা নিয়ে চলে গেছেন সুশান্ত। অনেক অভিমান ছিল হয়তো। কতটা অভিমান ছিল? এ প্রশ্নের জবাব হয়তো কেউ দিতে পারবে না।

তবে এটা বললে বাড়াবাড়ি হবে না, কত পরিমাণ অভিমান বুকে লুকিয়ে থাকলে কেউ একজন গুগলে গিয়ে ‘যন্ত্রণাহীন মৃত্যু’ লিখে সার্চ করে।

যদিও নিজেকে শেষ করে দেওয়া মোটেও সমাধান না, বরং অপরাধ। এখন পর্যন্ত বলা হচ্ছে, সুশান্ত নিজেকে নিজেই হত্যা করেছেন।

এর পক্ষে মুম্বাই পুলিশ নানা যুক্তি দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন তথ্য দিচ্ছে।

‘যন্ত্রণাহীন মৃত্যু’, ‘সিজোফ্রেনিয়া’, ‘বাইপোলার ডিসঅর্ডার’ শব্দগুলো মৃত্যুর কিছুদিন আগে গুগলে খুঁজেছেন সুশান্ত।

প্রয়াত বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের কম্পিউটার ও ফোনের ‘সার্চ হিস্ট্রি’ ঘেঁটে এসব শব্দ মিলেছে বলে দাবি করেছে মুম্বাই পুলিশ।

গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন মুম্বাইয়ের পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং।

তাঁর দাবি, মৃত্যুর আগে বারবার নিজের নাম গুগল করেন সুশান্ত সিং রাজপুত। যন্ত্রণা ছাড়া কীভাবে নিজেকে শেষ করে দেওয়া যায়, ইন্টারনেটে সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজেছিলেন সুশান্ত।

সুশান্ত বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভুগছিলেন বলেও দাবি করেছে মুম্বাই পুলিশ। সেই সঙ্গে এ কথাও জানিয়েছে, চিকিৎসা চলছিল তাঁর।

তিনি ওষুধও খাচ্ছিলেন। এরই সঙ্গে ‘সিজোফ্রেনিয়া’ আর ‘বাইপোলার ডিসঅর্ডার’-এর মতো শব্দও গুগল করেছিলেন সুশান্ত।

পরমবীর সিং আরও জানান, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের জুন মাস পর্যন্ত সুশান্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।

তিনি আরও বলেছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে এই সময়ে ১৫ কোটির বেশি টাকা জমা পড়েছিল সুশান্তের অ্যাকাউন্টে।

তা ছাড়া একটি সাড়ে চার কোটি টাকার স্থায়ী আমানত ছিল এ তরুণের।

সুশান্তের বাবা কে কে সিংহের অবশ্য দাবি, তাঁর ছেলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। মুম্বাই পুলিশের দাবি, তাদের তদন্তে এই অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি।

গতকাল কে কে সিংহ আরও দাবি করেছেন, সুশান্তের কোনো বড় বিপদ হতে পারে, এই আশঙ্কা প্রকাশ করে গত ফেব্রুয়ারিতেই তিনি বান্দ্রা থানার পুলিশকে সতর্ক করেছিলেন।

প্রায় দেড় মাস ধরে মুম্বাই পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা দেখার পরই পাটনা পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

একটি ভিডিও বার্তায় কে কে সিং বলেছেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি আমি বান্দ্রা পুলিশকে জানিয়েছিলাম যে আমার ছেলেকে নিয়ে খুব চিন্তায় আছি।

ওর কোনো বড় বিপদ হতে পারে। ১৪ জুন সুশান্তের মৃত্যুর পরে মুম্বাই পুলিশকে দেওয়া বয়ানে আমি কয়েকজনের নামে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম ৪০ দিন ধরে কিছুই হলো না। বাধ্য হয়ে পাটনা পুলিশের কাছে নতুন করে এফআইআর দায়ের করি।

দেখলাম, তারা খুবই তৎপরভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। তবে অভিযুক্ত এখনো পালিয়ে বেড়াচ্ছে। পাটনা পুলিশকে (মুম্বাই পুলিশের) সাহায্য করা উচিত।’

সুশান্তের বাবার আইনজীবী বিকাশ সিং একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বান্দ্রা পুলিশকে জানানো হয়েছিল অভিনেতার চারপাশে বিশ্বাসঘাতক মানুষ ভরে গেছে। তিনি বলেছিলেন, ‘পরিবারের কাছে এটা খুবই অস্বস্তির যে পুলিশ এত দিন ধরে কী করছে।

এ বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশকে জানানো হয়েছিল যে সুশান্তের পাশে বহু বিশ্বাসঘাতক মানুষ ভিড় করেছেন এবং তাঁরা যেকোনো সময় তাঁকে আঘাত করতে পারেন।

সুশান্তের মৃত্যুর পরও যাঁরা সুশান্তকে নিয়ন্ত্রণ করছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এমনকি রিয়ার বিরুদ্ধেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।’

Download Nulled WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Free Download WordPress Themes
free download udemy paid course