যাদের রোজা কবুল হয় না

বুখারি শরিফের হাদিস থেকে জানা যায়, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘রোজা রেখে তোমাদের কেউ যেন অশালীন ও অর্থহীন কথাবার্তা উচ্চারণ না করে। কেউ যদি তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন কথাবার্তা উচ্চারণ করে কিংবা তার সঙ্গে বাদানুবাদ-ঝগড়া-ফ্যাসাদ করতে চায়, সে যেন জবাবে এ কথা বলে দেয়, আমি রোজাদার।

আরবি সিয়াম শব্দের অর্থ বিরত থাকা, সংযম পালন করা। মূলত পাপ থেকে দূরে রাখতেই আল্লাহ তায়ালা বিশেষ প্রশিক্ষণ হিসেবে রোজা আমাদের ওপর ফরজ করেছেন। কিন্তু দেখা যায়, আমরা রোজাও রাখি আবার পাপ কাজেও ডুবে থাকি। এসব রোজাদারদের সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেছেন, তাদের রোজা কবুল হয় না।

বুখারি শরিফের হাদিস থেকে জানা যায়, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘রোজা রেখে তোমাদের কেউ যেন অশালীন ও অর্থহীন কথাবার্তা উচ্চারণ না করে। কেউ যদি তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন কথাবার্তা উচ্চারণ করে কিংবা তার সঙ্গে বাদানুবাদ-ঝগড়া-ফ্যাসাদ করতে চায়, সে যেন জবাবে এ কথা বলে দেয়, আমি রোজাদার।

রাসুল (সা.) আরও বলেছেন, এমন অনেক রোজাদার আছে, যার রোজা কবুল হয় না, শুধু না খেয়ে থাকার কষ্টই তার ভাগ্যে জুটে। আবার এমন অনেক রাতজাগা ইবাদতগোজার মানুষ আছে, যার ইবাদত, সালাত, তেলাওয়াত কিছুই কবুল হয় না। শুধু বিনিদ্র রজনী কাটানোর কষ্টই সে ভোগ করে।’

আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে রোজা রাখল অথচ মিথ্যা বলার অভ্যাস এখনো তার রয়ে গেছে, জেনে রেখো, তার না খেয়ে থাকা আল্লাহর কাছে সিয়াম হিসেবে কবুল হবে না। বরং এভাবে না খেয়ে থাকাতে আল্লাহর কোনো প্রয়োজনও নেই।

Download WordPress Themes Free
Premium WordPress Themes Download
Download WordPress Themes Free
Download Premium WordPress Themes Free
udemy paid course free download