যেকোনো উপায়ে নেয়া হবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা, অটোপাস আর নয়!

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয় তাহলে টিভি, রেডিও আর অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমেই শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর কথা জানাচ্ছে মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। পাশাপাশি যেকোনো উপায়ে নেয়া হবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা; কোনোভাবেই অটোপাস নয়। উচ্চশিক্ষাতেও মেকআপ ক্লাস ও সিলেবাস কাঁটছাঁট হতে পারে বলে জানিয়েছে ইউজিসি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয় তাহলে টিভি, রেডিও আর অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমেই শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর কথা জানাচ্ছে মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। পাশাপাশি যেকোনো উপায়ে নেয়া হবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা; কোনোভাবেই অটোপাস নয়। উচ্চশিক্ষাতেও মেকআপ ক্লাস ও সিলেবাস কাঁটছাঁট হতে পারে বলে জানিয়েছে ইউজিসি।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ক্ষতি কাটাতে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে সেটা যেনো শুধু পরীক্ষাকেন্দ্রিক না হয়।

মে মাসের শেষ সপ্তাহে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার কথা রয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সেটা যদি না হয় তবে গত বছরের মতো দূরশিক্ষণ ও অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমেই শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে চায় সরকার। মাউশি বলছে, এসএসসি ও এইচএসসিতে আর অটোপাস নয়।

মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, শতভাগ শিক্ষার্থী যেন আমাদের ক্লাসগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারে সেটা টিভি ক্লাসই হোক কিংবা অনলাইন ক্লাস হোক, যেকোনো ক্লাসই হোক। ইতোমধ্যেই আমরা অ্যাসাইনমেন্টের কাজ শুরু করে দিয়েছি। আপাতত লকডাউনের জন্য এটা বন্ধ আছে। কোনোভাবেই অটোপাশ দেওয়ার চিন্তা করছি না।

উচ্চশিক্ষার সেশনজট কমানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিজ্ঞতা আছে। এরই মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান সেমিস্টার সময় কমিয়ে সিলেবাস প্রস্তুত করেছে। তবে তাদেরও অনলাইন কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়।

ইউজিসি’র সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, সকল শিক্ষার্থীদের যেন আমরা টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারি, অনলাইনে যে শিক্ষাকার্যক্রম চলছে সেটা যেন আরও সুন্দরভাবে চলতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করছি।শিক্ষাকার্যক্রমের যে বিঘ্ন ঘটেছে সেটা আমরা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

ক্লাস শুরু হলে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষার চাপে পড়বে সব শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। কারণ এখন পর্যন্ত মূল্যায়ন পদ্ধতি পরীক্ষানির্ভর। শিক্ষার্থীরা যেন চাপে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখার আহ্বান শিক্ষাবিদদের।

সাবেক ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, একটা প্রজন্ম নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেটা পুষিয়ে ওঠা খুবই কঠিন হবে। শিশুদের ক্ষতিটা একটু বেশিই কারণ তাদের একদিকে তো লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে অন্যদিকে তাদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষাগুলো এখনও নিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসলে পরীক্ষা আরও পেছাতে পারে।

Download Best WordPress Themes Free Download
Premium WordPress Themes Download
Download WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
online free course