যেসব কারণে দ্রুত চুল পড়ে যেতে পারে

আরেকটু পরিষ্কার করে বললে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের মাথায় স্বাভাবিকভাবেই প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০টি পর্যন্ত চুল ঝরে পড়ে। আবার নতুন চুল গজিয়ে যায় বলেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনার দরকার পড়ে না। যাদের ডিএইচটি হরমোন বেড়ে যায়, তাদের আর নতুন করে চুল গজায় না। ফলে ধীরে ধীরে চুল পড়ে যাওয়ার স্বাভাবিক মাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে দেখা দেয়।

চুল পড়ার সমস্যাকে ডাক্তারি পরিভাষায় অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়া বলা হয়। ডিএইচটি নামক হরমোনের কারণে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।

এই হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে চুলের রক্ত সঞ্চালন কমে যায় এবং চুল পড়তে শুরু করে।

আরেকটু পরিষ্কার করে বললে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের মাথায় স্বাভাবিকভাবেই প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০টি পর্যন্ত চুল ঝরে পড়ে।

আবার নতুন চুল গজিয়ে যায় বলেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনার দরকার পড়ে না।

যাদের ডিএইচটি হরমোন বেড়ে যায়, তাদের আর নতুন করে চুল গজায় না।

ফলে ধীরে ধীরে চুল পড়ে যাওয়ার স্বাভাবিক মাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে দেখা দেয়।

চুল পড়ার উল্লেখযোগ্য ৫টি কারণ হলো-

১. ভিটামিন-ই ও বায়োটিনের অভাব।

২. অতিরিক্ত লবন খাওয়া। যা মাথার ত্বকে পানি জমে চুলের গোড়া নরম করে দেয়। ফলে সহজেই চুল পড়ে যায়।

৩. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চুল পড়ার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষ করে মানসিক সমস্যার কারণে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ খেলে দ্রুত চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা বেশি দেখা যায়।

৪. বিশেষ ধরনের হেয়ার স্টাইলের কারণেও চুল পড়তে পারে। যেমন হট অয়েল বা হট ওয়াটার ব্যবহার করে যেসব হেয়ার স্টাইল করা হয়।

৫. চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৯১ শতাংশ কাজ করে কেরোটিন নামক প্রোটিন।

ভুল খাদ্যাভ্যাস ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণে কেরাটিনাইজেশন বাধাগ্রস্ত হয় এবং চুল পড়া সমস্যা দেখা দেয়।

তাই যতটুুকু পারা যায় বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Premium WordPress Themes Download
Download Premium WordPress Themes Free
Download WordPress Themes Free
Download Best WordPress Themes Free Download
udemy course download free