যে কারণে বাংলাদেশিদের মধ্যে ইমোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে

বছরজুড়ে বাংলাদেশি ইমো ব্যবহারকারীরা সাড়ে নয় হাজার কোটির বেশি মেসেজ এবং আড়াই হাজার কোটির বেশি অডিও-ভিডিও কল করেছে।

মেসেজিং অ্যাপ ইমো তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৯ সালের তুলনায় গত বছর তাদের অ্যাপ ব্যাবহার করে বাংলাদেশিদের পাঠানো মেসেজের সংখ্যা বেড়েছে ৮ শতাংশের বেশি।

বছরজুড়ে বাংলাদেশি ইমো ব্যবহারকারীরা সাড়ে নয় হাজার কোটির বেশি মেসেজ এবং আড়াই হাজার কোটির বেশি অডিও-ভিডিও কল করেছে।

এর মধ্যে তিন হাজার কোটির মত রয়েছে আন্তর্জাতিক মেসেজ আর দেড় হাজার কোটির বেশি আন্তর্জাতিক অডিও-ভিডিও কল রয়েছে।

মেসেজিং অ্যাপ কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশিদের ইমোর ব্যবহার রেকর্ড ছুঁয়েছে।’

কোম্পানিটি বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে বিশ্বে বাংলাদেশেই ইমোর সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে তিন কোটি সত্তর লাখ বার এটি ইন্সটল করা হয়েছে।

গণমাধ্যমকে পাঠানো বিবৃতিতে ইমো’র ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশিদের এই প্রবণতাকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ইমো অনেক বেশি জনপ্রিয় বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে।

যে কোন অভিবাসী কর্মী ও তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে কথা বললেই জানা যাবে তাদের মোবাইল ফোনে ইমো ইন্সটল করা আছে।

বাংলাদেশিদের মধ্যে অনলাইন ব্যবহারের প্রবণতা ২০২০ সালে অনেক বেড়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে।

কারণে তখন লকডাউনের কারণে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায়, ভার্চ্যুয়াল যোগ বাড়ে।

বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৫০টিরও বেশি দেশে ৬২ ভাষায় ২০ কোটিরও বেশি মানুষ ইমো ব্যবহার করলেও এই অ্যাপ নিয়ে অবশ্য অনেকের অভিযোগও রয়েছে।

Free Download WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Download Nulled WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
free download udemy paid course