রাহুল আনন্দ !

রাহুল আনন্দ ! জলের গানের রাহুল আসলে একজন তুখোর অভিনেতাও। মঞ্চে গান গাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে এমন সব কান্ড করেন একবারও মনে হয় না অভিনয় করছেন। যেন বাস্তবেই সব কিছু ঘটছে। গায়ক হিসেবে তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মঞ্চে গানের ফাঁকে ফাঁকে দর্শকদের সাথে প্রচুর কথা বলেন। মঞ্চে জলের গান পারফরম করবে আর দর্শকেরা চুপ করে গান শুনবে এমন ঘটনা কখনও ঘটে না। বরং জলের গানের অনুষ্ঠানে কখনও কখনও দর্শকই হয়ে ওঠেন পারফরমার। আর শিল্পীরা হয়ে যান শ্রোতা।
রাহুল গান করে। মঞ্চে অভিনয়ও করে। টিভি নাটকেরও তুখোর অভিনেতা। বিশেষ করে জলের গানের নান্দনিক পরিবেশনাই বিশেষ ভাবে আকৃষ্ট করে। দেশীয় বাদ্য যন্ত্রের ব্যবহার করে কী এক মায়া ছড়িয়ে ওরা গান করে। আহা! জলের গান মানেই মমতা মাখানো সুরের আলিঙ্গন। যতই শুনি ততই মুগ্ধ হই।

জলের গানের শিল্পীরা তাদের গানে যে সব বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে সেগুলোর প্রত্যেকটিই তাদের নিজেদের তৈরি। রাহুল বিশেষ একটি বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে। যন্ত্রটির নাম দিয়েছে মমতা। মায়ের নামে বাদ্যযন্ত্রের নাম। বাদ্যযন্ত্রটি নিজেই বানিয়েছে রাহুল। যখন সে এটি বানানো শুরু করেন তখন এক পর্যায়ে তার মা বাধ্যক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে যান। মাঝ পথে রাহুলের মা না ফেরার দেশে চলে যান। তখন একটু যেনো দিশেহারা হয়ে পড়েছিল রাহুল। বাদ্যযন্ত্রটি বানিয়ে দেওয়ালে ঝুলিয়ে রাখে। প্রতিদিন যন্ত্রটি দেখে আর মায়ের কথা ভাবেন। হঠাৎ যন্ত্রটিকে মায়ের মতো মনে হয়। বুকে টেনে নেয় বাদ্য যন্ত্রটি। মমতাময়ী মায়ের নামে নাম দেয় মমতা।
প্রসঙ্গ ক্রমে রাহুল জানাল, জলের গানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো আমরা যা বাজাই তার সব কিছুই আমাদের নিজেদের তৈরি। প্রতিটি বাদ্যযন্ত্রই আমাদের কাছে মমতাময়ী মায়ের মতোই। যখন সুর তুলি তখন মনে হয় মায়েরাই আশির্বাদের হাত রেখেছেন আমাদের মাথায়। আহ! কী শান্তি।
একথা সকলেই মানবেন জলের গান মানেই শান্তিরও গান। শিল্পী রাহুল ও তার গানের দল জলের গানের প্রতি রইল অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জলের গানের জয় হোক।

Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
udemy paid course free download