রিয়ালকে দুই শর্ত দিয়েছেন মরিনহো!

উপরের এই ছবিটা ২০১০ সালের ৩১ মে’র। হোসে মরিনহোকে কোচ করার পর তার নামাঙ্কিত জার্সিসহ তাকে দর্শক-সমর্থকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন রিয়াল মাদ্রিদের উচ্চাবিলাসি সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। দীর্ঘ ৯ বছর পর ঠিক এ রকমই আরেকটা ছবি জন্ম নিতে যাচ্ছে বলে জোর গুঞ্জন। গণমাধ্যমের খবর, আবার মরিনহোকে কোচ করতে যাচ্ছে রিয়াল। সভাপতি পেরেজ নাকি এরই মধ্যে মরিনহোর এজেন্ট হোর্হে মেন্ডিসের সঙ্গে আলাপ-আলোচনাও শুরু করে দিয়েছেন।

উপরের এই ছবিটা ২০১০ সালের ৩১ মে’র। হোসে মরিনহোকে কোচ করার পর তার নামাঙ্কিত জার্সিসহ তাকে দর্শক-সমর্থকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন রিয়াল মাদ্রিদের উচ্চাবিলাসি সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। দীর্ঘ ৯ বছর পর ঠিক এ রকমই আরেকটা ছবি জন্ম নিতে যাচ্ছে বলে জোর গুঞ্জন। গণমাধ্যমের খবর, আবার মরিনহোকে কোচ করতে যাচ্ছে রিয়াল। সভাপতি পেরেজ নাকি এরই মধ্যে মরিনহোর এজেন্ট হোর্হে মেন্ডিসের সঙ্গে আলাপ-আলোচনাও শুরু করে দিয়েছেন।

এটা অবশ্য একদিন আগের খবর। নতুন খবর হলো, কোচ হওয়ার জন্য মরিনহো নাকি রিয়ালকে দুটি শর্ত দিয়েছেন। শর্ত দুটি পূরণ করলেই কেবল তিনি রিয়ালের কোচের দায়িত্ব নিতে রাজি! শর্তের বিষয়টি একটু অদ্ভুতই লাগতে পারে। কারণ, ১৮ ডিসেম্বর কোচের পদ থেকে মরিনহোকে বরখাস্ত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সেই থেকে বেকার মরিনহো।

তো বেকার অবস্থায় চাকুরির প্রস্তাব পেলে চোখ বন্ধ করেই লুফে নেওয়ার কথা। আর সেই চাকরিটা যদি হয় রিয়ালের মতো বিশ্বসেরা ক্লাবের, তাহলে তো কথাই নেই। সেখানে ‘বেকার’ মরিনহো কিনা জুড়ে দিচ্ছেন শর্ত! মরিনহোকে যারা চেনেন, তারা এতে অবাক হওয়ার কথা নয়। কোচ মরিনহোর বৈশিষ্ট্যই এমন। ক্যারিয়ারে এ পর্ন্ত যে ক্লাবেরই কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন, শর্ত সাপেক্ষেই গেছেন।

তবে রিয়ালের সবকিছুই যেহেতু তার জানা, তাই এবার দিয়েছেন খুবই সহজ দুটি শর্ত। শর্ত নম্বর এক, দলবদলের বাজারে খরচ করার জন্য তাকে বিশাল অঙ্কের বরাদ্দ দিতে হবে। মানে নতুন খেলোয়াড় ক্রয়ের পেছনে যাতে দেদারছে টাকা ঢালতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা চাইছেন মরিনহো। শর্ত নম্বর দুই, তাকে পছন্দের খেলোয়াড় কেনার অধিকার দিতে হবে। মানে খেলোয়াড় কিনতে হবে তার পছন্দে। তার পছন্দই হতে হবে রিয়ালের কর্তাদের পছন্দ!

মরিনহো ২০১০ থেকে ২০১৩-এই ৩ বছর কোচ ছিলেন রিয়ালের। এরপর থেকেই আছেন ইংল্যান্ডে। তবে যেখানেই থাকুন, রিয়ালের খবরাখবর ভালো মতোই রাখছেন মরিনহো। ইউনাইটেডের চাকরি হারানোর পর হয়তো রিয়ালের দিকে নজর রাখছেন আরও বেশি করে। আর সেই নজরদারির ভিত্তিতেই মরিনহো বাইরে থেকেই আবিষ্কার করে ফেলেছেন বর্তমান রিয়ালের দুর্বলতা ঠিক কোন কোন জায়গায়।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও জিনেদিন জিদান চলে যাওয়ার পর এ মৌসুমে খাবি খাচ্ছে রিয়াল। রিয়ালের এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের মূল কারণ কি, সেটা আবিষ্কার করে ফেলেছেন মরিনহো। আর সেই দুর্বলতা অনুযায়ীই কিনতে চান নতুন খেলোয়াড়। শর্তে তাই জুড়ে দিয়েছেন, আক্রমণভাগ ও রক্ষণভাগের খেলোয়াড় কিনতে হবে। মানে ফরোয়ার্ড ও ডিফেন্ডার কিনতে হবে।

এই দুই শর্ত মেনে রিয়াল মরিনহোকে কোচ করবে কিনা বলবে সময়। তবে মরিনহোর শর্ত দুটি রিয়ালের মনে ধরারই কথা। রোনালদোর বিকল্প কিনতে এমনিতেই অস্থির রিয়াল। তাছাড়া এ মৌসুমে রিয়ালের পারফরম্যান্স ঘাটলে মরিনহোর গবেষণার সঙ্গেই মিলে যায়। রিয়ালের ব্যর্থতার মুলে সত্যিকার অর্থেই ফরোয়াড় এবং ডিফেন্ডাররা।

প্রথমত রিয়ালের ফরোয়ার্ড বেল, বেনজেমা, এসেনসিও, মারিয়ানোরা প্রত্যাশা অনুযায়ী গোল করতে পারছেন না। অন্যদিকে ডিফেন্ডাররাও বারবার ভুল করে হজম করছেন কিাড়ি কাড়ি গোল। মরিনহো এই দুইা ঘাটতিই পূরণ করতে চান। ভালোমানের ফরোয়ার্ড কিনে বেশি বেশি গোল করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে চান। এবং মানসম্পন্ন ডিফেন্ডার কিনে রক্ষণ দুর্বলতা দূর করতে চান। যাতে এতো এতো গোল হজম না করতে হয়। ফুটবল মাঠে সাফল্যের মন্ত্র তো এটাই, নিজেরা বেশি বেশি গোল করা এবং কম গোল খাওয়া।

Download WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
Download Premium WordPress Themes Free
Free Download WordPress Themes
online free course