‘রুই মাছ’ মিস করছেন জামাল ভূঁইয়া

‘বাংলাদেশে যখন থাকি তখন রুই মাছটা বেশি খাই। ওটা আমার খুব প্রিয়। এছাড়া আমার খাওয়ার রুটিনটা এমন- সকালে ফল আর চা। চা অবশ্যই চিনিছাড়া। মধু দিয়ে খাই। মাঝেমধ্যে দই। সেটা বাংলাদেশের মতো মিষ্টি দই নয়। ফ্রুটসদই খাই আমি। দুপুরে পাস্তা আর ভেজিটেবলস থাকে আমার খাবার মেন্যুতে। রাতে অল্প রাইসের সাথে ভেজিটেবলস আর চিকেন। ফলও থাকে। আমি ফলটাকে বেশি গুরুত্ব দিই। পুরো দিনে ৩ থেকে ৫ লিটার পানি পান করি।’

জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ডেনমার্কে। ইউরোপের হাওয়া-বাতাস গায়ে লাগিয়ে

এবং সেখানকার খাদ্যে অভ্যস্থ হয়ে বড় হওয়া জামাল ভূঁইয়া কি করে মানিয়ে নেন বাংলাদেশে?

তার খাদ্য তালিকার শীর্ষেই বা কি থাকে? ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে সেগুলো জানতেও ছাড়েননি তার ভক্তরা।

খ্যাতির একটা বিড়ম্বনা থাকে।

তারকা ক্রীড়াবিদদের যে ভক্তকূল গড়ে ওঠে তা সামলানোও একটা কঠিন কাজ।

সেগুলো কিভাবে মেইনটেইন করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক?

এমন নানা প্রশ্নের উত্তর জামাল ভূঁইয়া দিয়েছেন ঘণ্টাব্যাপি ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে।

বাংলাদেশে যখন থাকেন তখন কি খান? আপনার প্রিয় খাবার কি এখানে?

বাংলাদেশের রুই মাছটা খুব প্রিয় জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়কের।

ডেনমার্ক বসে এখন এ মাছটিই খুব মিস করছেন তিনি।

‘বাংলাদেশে যখন থাকি তখন রুই মাছটা বেশি খাই। ওটা আমার খুব প্রিয়।

এছাড়া আমার খাওয়ার রুটিনটা এমন- সকালে ফল আর চা। চা অবশ্যই চিনিছাড়া।

মধু দিয়ে খাই। মাঝেমধ্যে দই। সেটা বাংলাদেশের মতো মিষ্টি দই নয়।

ফ্রুটসদই খাই আমি। দুপুরে পাস্তা আর ভেজিটেবলস থাকে আমার খাবার মেন্যুতে।

রাতে অল্প রাইসের সাথে ভেজিটেবলস আর চিকেন। ফলও থাকে।

আমি ফলটাকে বেশি গুরুত্ব দিই। পুরো দিনে ৩ থেকে ৫ লিটার পানি পান করি।’

অসংখ্য ভক্ত সামলানো প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেন,

‘আমি স্পেশাল কোনো জিনিস করি না। যখন যেটা ফিল করি তখন সেটা করি।

অনেক মানুষ আছেন যারা আমাকে খুব ভালোবাসেন।

কেন বাসেন সেটা তাদের বিষয়। সেখানে আমার কোনো হাত নেই।

তবে এটা বলবো- মানুষের এই ভালোবাসা পাওয়া আমার বড় অর্জন।’

Download WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Premium WordPress Themes Download
Download Premium WordPress Themes Free
online free course