শাক-সবজি ও মাছ-মাংস করোনামুক্ত করতে যা করবেন

দেশে করোনার বিস্তার বিপজ্জনক গতিতে বাড়ছে। সতর্কতা অবলম্বনের পরও মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে কীভাবে এই ভাইরাস ছড়ায় তা চিহ্নিত করা এবং তা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা। বেঁচে থাকতে হলে খেতে হবে, আর মানুষের দৈনন্দিন খাবারের চাহিদা মেটায় শাক-সবজি ও মাছ-মাংস। বাজারে থেকে কিনে আনা ফলমূল, শাক-সবজি ও মাছ-মাংসের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায় এমন কোনও বিশেষ প্রমাণ এখনও মেলেনি। তবে এটি অসম্ভবও নয়। কাজেই সতর্ক থাকতে হবে নিজেকেই।

দেশে করোনার বিস্তার বিপজ্জনক গতিতে বাড়ছে। সতর্কতা অবলম্বনের পরও মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে কীভাবে এই ভাইরাস ছড়ায় তা চিহ্নিত করা এবং তা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

বেঁচে থাকতে হলে খেতে হবে, আর মানুষের দৈনন্দিন খাবারের চাহিদা মেটায় শাক-সবজি ও মাছ-মাংস।

বাজারে থেকে কিনে আনা ফলমূল, শাক-সবজি ও মাছ-মাংসের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায় এমন কোনও বিশেষ প্রমাণ এখনও মেলেনি।

তবে এটি অসম্ভবও নয়। কাজেই সতর্ক থাকতে হবে নিজেকেই।

হার্বাল হেলথ, এফটিএ, সিডিসি এবং এফএসএ-এর পরামর্শের আলোকে নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরেছেন অক্সফোর্ড

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাসনিম যারা, যিনি করোনার শুরু থেকেই যুক্তরাজ্যে সামনের সারিতে থেকে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।

করোনা সংক্রমণের হুমকি ঠেকাতে শুরুতেই শাক-সবজি ও ফল-মূল চলন্ত পানির নিচে অর্থাৎ কল ছেড়ে পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

এক্ষেত্রে একটু সময় নিয়ে কচলিয়ে ধুয়ে নেওয়া উচিত।

অনেকের কাছে হয়তো শুনে থাকবেন পানিতে ভিজিয়ে রাখার কথা। তবে সেক্ষেত্রেও কচলিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

শুধু ভিজিয়ে রাখলে কিছু কিছু জায়গায় জীবাণু থেকে যেতে পারে। তাই কচলিয়ে ধোয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মাছ-মাংসের ক্ষেত্রে ইউরোপ আমেরিকার সংস্থাগুলো বলছে না ধুয়ে রান্না করতে।

মাংস একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ তাপ দিয়ে রান্না করলে তাতে জীবাণু বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

তবে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আমাদের দেশে যে উপায়ে বা যে পরিবেশে মাংস বিক্রি হয় তাতে না ধুয়ে খাওয়াটা সমীচিন হবে না।

তাই মাংস ধোয়ার ক্ষেত্রে যে সাবধনতা অবলম্বন করতে হবে সেটা হচ্ছে, আশেপাশে যেন ফল-মূল,

শাক-সবজি বা সেগুলো কাটার যন্ত্রপাতি কিংবা সেগুলোর থালা-বাসন না থাকে।

এগুলো আশেপাশে রাখলে জীবাণু ছিটে সেখানে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সব ধরনের সবজি আমরা অনেক বেশি তাপ দিয়ে রান্না করে খাই না। মাঝে মাঝে কিছু কিছু সবজি সালাদে খাওয়া হয়।

তাছাড়া ফল-মূল বেশির ভাগ কাচা খাওয়া হয়। তাই তাতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থেকে যায়।

খেয়াল রাখতে হবে মাংস ধোয়ার সময় শরীরে যেন পানি ছিটে না যায়।

আর পানি ছিটে গেলেও পরে তা সাবান দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

এছাড়া, মাংস কাটার জন্য যে বটি, চাকু বা কাটিং বোর্ড ইত্যাদি ব্যবহার করবেন তা শাক-সবজি কাটার জন্য ব্যবহার করবে না।

এগুলোর জন্য আলাদা বটি-চাকু ব্যবহার করুন।

আর তা সম্ভব না হলে এক প্রকার খাবার কাটার পর অন্য প্রকার খাবার কাটার আগে

গরম পানি ও সাবান দিয়ে সেগুলো ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

Download WordPress Themes Free
Premium WordPress Themes Download
Download Premium WordPress Themes Free
Download WordPress Themes Free
udemy course download free