শিশুর জন্মের প্রথম বছরে তাদের এই খাবারগুলি দেবেন না

শিশুর জীবনের প্রথম বছর তার জন্য উপযুক্ত খাবারগুলি প্রত্যেক মা-বাবার চয়ন করা উচিত, কারণ এই সময়কালেই শিশুর বৃদ্ধির হার বেশি থাকে। সুতরাং, শিশুর প্রথম বছরের সময় কিছু নির্দিষ্ট খাবার এড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন অনেক খাবার আছে যেগুলি বাচ্চাদের শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে বিভিন্ন ফুড অ্যালার্জির সৃষ্টি হয়।

শিশুর জীবনের প্রথম বছর তার জন্য উপযুক্ত খাবারগুলি প্রত্যেক মা-বাবার চয়ন করা উচিত, কারণ এই সময়কালেই শিশুর বৃদ্ধির হার বেশি থাকে।

সুতরাং, শিশুর প্রথম বছরের সময় কিছু নির্দিষ্ট খাবার এড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এমন অনেক খাবার আছে যেগুলি বাচ্চাদের শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে বিভিন্ন ফুড অ্যালার্জির সৃষ্টি হয়।

তাই প্রত্যেক পিতা-মাতার জানা উচিত যে, শিশুকে জন্মের প্রথম বছরে কোন খাবারগুলি খাওয়ানো উচিত নয়।

যে খাবারগুলি শিশুকে তার জন্মের প্রথম বছরে দেওয়া এড়াবেন –

১) মধু মধুতে ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম নামের রেণু থাকে, যা বাচ্চারা সেবন করলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়, কোষ্ঠকাঠিন্য, খিদে ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে।

এটি এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে খুবই সাধারণ। তাই, এক বছরের কম বয়সী ছোট বাচ্চাদের মধু খাওয়াবেন না।

২) গরুর দুধ গবেষণা অনুসারে, বাচ্চাদের গরুর দুধ খাওয়ানো তাদের স্বাস্থ্যের উপর বিপরীত প্রভাব ফেলে।

গরুর দুধে আয়রনের পরিমাণ কম থাকে, যা শিশুর পক্ষে বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণে আয়রন লাভ করা কঠিন করে তোলে।

এছাড়াও, গরুর দুধে উপস্থিত ক্যালসিয়াম এবং কেসিন ডায়েটরি নন-হিম আয়রনের শোষণ বন্ধ করে দেয়।

৩) ফলের রস আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP), ছয় মাসের থেকে ছোট বাচ্চাদের ফলের রস খাওয়ানো এড়াতে পিতা-মাতাদের পরামর্শ দিয়েছে।

এর কারণ হল, জুস শিশুদের প্রথম বছরে কোনও পুষ্টি সরবরাহ করে না এবং ব্রেস্ট মিল্ক প্রতিস্থাপন করতে পারে।

৪) চকোলেট শিশুদের প্রথম বছরে চকোলেট সাথে পরিচয় করানোই উচিত নয়, কারণ এতে মিল্ক সলিড রয়েছে, যার কারণে অ্যালার্জি হতে পারে।

দুধযুক্ত যেকোনও খাবার এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের দেওয়া উচিত নয়। শিশুদের জন্য ডাবের জল কতটা উপকারি! জেনে নিন এ সম্পর্কে

৫) বাদাম বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করেন যে, বাচ্চাদের বাদামের অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি বেশি, এজন্য পিনাট এবং পিনাট বাটার বা যেকোনও নাট বাটার অবশ্যই এড়ানো উচিত।

৬) সীফুড সামুদ্রিক খাবার, বিশেষত শেলফিস এবং অন্যান্য মাছের পারদ উচ্চ, তাই বাচ্চাদের দেওয়া উচিত নয়।

৭) ডিম শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বাচ্চাকে ডিম দেওয়া এড়াতে বলে, কারণ আমেরিকান কলেজ অফ অ্যালার্জি, অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজি অনুসারে, দুই শতাংশ শিশুর ডিম থেকে অ্যালার্জি হয়।

৮) মাংস মাংসজাতীয় খাদ্য শিশুদের দেওয়া উচিত নয়, কারণ তাদের পক্ষে হজম করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে এবং এগুলিতে সোডিয়াম এবং প্রাণিজ ফ্যাট বেশি থাকে, যার কোনওটিই আপনার শিশুর পক্ষে ভাল নয়।

৯) বেরি বেরি যেমন ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং রাস্পবেরি এবং অন্যান্য সিট্রাস ফলগুলি অ্যাসিডিক প্রকৃতির। এর ফলে বাচ্চাদের অ্যাসিডিটি এবং পেট খারাপ হতে পারে।

Premium WordPress Themes Download
Download Premium WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
free download udemy course