যদি ত্বক আক্ষরিক অর্থেই পরিষ্কার রাখতে চান, তাহলে প্রয়োজন ডিপ ক্লিনজিং বা ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার করা। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই জানেন না এই ডিপ ক্লিনজিং করার উপায়। বরং ভুলভাবে ডিপ ক্লিনজিং করতে গিয়ে উল্টো ত্বকের ক্ষতি করে বসেন ও ব্রণের মতো সমস্যা বাড়িয়ে ফেলেন।

শীতে ত্বকের যত্নে ডিপ ক্লিনজিং

শীতকাল সঙ্গে নিয়ে আসে শুষ্কতা এবং রুক্ষতা। এসময় ত্বকের যত্নে চাই বাড়তি যত্ন। ত্বকের মরা চামড়া পরিষ্কার করতে ক্লিজিং ও স্ক্রাবিংয়ের প্রতি গুরুত্ব দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শীতে ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও সতেজ। ত্বকের যত্নে সবচাইতে বেশী প্রয়োজন ত্বক পরিষ্কার রাখা। তবে কেবল ফেসওয়াশ দিয়ে ধুলে কিংবা ফেসপ্যাক মাখলেই হবে না। যদি ত্বক আক্ষরিক অর্থেই পরিষ্কার রাখতে চান, তাহলে প্রয়োজন ডিপ ক্লিনজিং বা ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার করা। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই জানেন না এই ডিপ ক্লিনজিং করার উপায়। বরং ভুলভাবে ডিপ ক্লিনজিং করতে গিয়ে উল্টো ত্বকের ক্ষতি করে বসেন ও ব্রণের মতো সমস্যা বাড়িয়ে ফেলেন। আসুন, জেনে নেই ত্বক ডিপ ক্লিন করার বিস্তারিত পদ্ধতি।

দিনে অন্তত একবার এভাবে ত্বক পরিষ্কার করবেন। সবচাইতে ভালো হয় বাইরে থেকে এসে করতে পারলে। বাজারে অনেক রকম কিনজিং মিল্ক বা লোশন পাওয়া যায়। এর মধ্যে নির্ভরযোগ্য উৎপাদকের জিনিসটিই বেছে নেবেন ও ব্যবহারের আগে প্রস্তুতকারকের তরফে দেয়া নির্দেশাবলি ভালোভাবে পড়ে নেবেন।

প্রথমে মুখটা আলতো করে পানি দিয়ে ভিজিয়ে আলতো করেই মুছে নিন। একটু ভেজা ভেজা থাকবে। এবার অল্প পরিমাণ লোশন বা ক্লিনজিং মিল্ক হাতে ঢেলে নিন। এবার দু’হাতে মেখে নিয়ে মুখমণ্ডল, ঘাড়, গলার ত্বকে মিল্ক বা লোশন লাগিয়ে ম্যাসাজ করতে থাকুন হালকাভাবে।

ম্যাসাজ করার সময় আঙুল চালাবেন নিচ থেকে ওপরে। কপাল ম্যাসাজ করবেন দু’হাতের মাঝের ছয় আঙুলের ডগার সাহায্যে নিচ থেকে ওপর টানে। দু’চোখের চার পাশে ম্যাসাজ করবেন বুড়ো আঙুলের সাহায্যে অর্ধচক্রাকারে। দু’গালে ম্যাসাজ করবেন চিবুক থেকে কানের পাশ পর্যন্ত নিচ থেকে উপর টানে।

মাথা পেছনে হেলিয়ে টান টান গলায় ম্যাসাজ করবেন দু’হাতের সাহায্যে নিচ থেকে উপরে লম্বা টানে। নাক ম্যাসাজ করবেন গোড়া থেকে ডগার দিকে ছোট টানে। কিন্তু ঘাড় ম্যাসাজ করবেন উপর থেকে নিচ টানে। দু’মিনিট ম্যাসাজ করার পর মুখমণ্ডল, গলা ও ঘাড়ের ক্লিনজিং মিল্ক বা লোশন টিস্যু বা তুলার সাহায্যে তুলে ফেলবেন।

তারপর আবার ভেজা তুলা বোলাবেন মুখে। এরপর আপনার নিয়মিত ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন মুখ। মনে রাখবেন, ফেসওয়াশ কখনই ৩০/৪০ সেকেন্ডের বেশি ত্বকে রাখা ঠিক নয়।

সতর্কতা:

দীর্ঘক্ষণ ধরে বা বেশি পরিমাণে ত্বকে কিনজিং করবেন না। কারণ বেশি ধোয়া-মোছার কারণে ত্বক শুষ্ক হতে পারে। শুধু ত্বকের ধুলো-ময়লা, মেকআপ ও সানস্ক্রিন তোলার জন্য যতখানি পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন ততখানিই করবেন।

যাদের ত্বক শুষ্ক তারা পানি ব্যবহার না করে শুধু কোনো সফট বা ন্যাচারাল কোল্ডক্রিম ম্যাসাজ করে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিতে পারেন। বিশেষ করে শীতের দিনে।

ত্বক পরিষ্কার করার জন্য উষ্ণ পানি ব্যবহার করুন। এতে ত্বকে পোর বা লোমকূপগুলো খুলে যাবে এবং ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার হবে।

কিনজিং করার সময় চোখের মেকআপ পুরোপুরি তোলা হলো কি না সেদিকে নজর দিন। চোখের মেকআপ ভালোভাবে তুলে ফেলুন; কারণ চোখের চার পাশের ত্বক খুবই নরম হয়। এ জন্য তুলায় সামান্য অলিভঅয়েল নিয়ে চোখ মুছে নিতে পারেন প্রথমেই।

ক্লিনজিং করার সময় ত্বক বেশি জোরে রগড়াবেন না, এতে ত্বকে ভাঁজ পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

Download WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
online free course