সন্তান বুদ্ধিদীপ্ত হয় মায়ের ‘জিন’ এর কারণে

বিশ্বের প্রতিটি বুদ্ধিদীপ্ত মানুষের বুদ্ধিমত্তার নেপথ্যে কার অবদান থাকে? মা না বাবার ? ঝগড়া-তর্ক-বিতর্ক চলতেই থাকে! কারও মত বাবার, কারও মায়ের, কেউ কেউ দু পক্ষেরই সঙ্গ দেন! কিন্তু আসল সত্যিটা কী ? গবেষণা বলেছে, একজন শিশুর বুদ্ধিমত্তা নির্ভর করে তাঁর মায়ের জিনের উপর! সেখানে বাবার জিনের কোনও ভূমিকা নেই!

বিশ্বের প্রতিটি বুদ্ধিদীপ্ত মানুষের বুদ্ধিমত্তার নেপথ্যে কার অবদান থাকে? মা না বাবার ? ঝগড়া-তর্ক-বিতর্ক চলতেই থাকে! কারও মত বাবার, কারও মায়ের, কেউ কেউ দু পক্ষেরই সঙ্গ দেন! কিন্তু আসল সত্যিটা কী ? গবেষণা বলেছে, একজন শিশুর বুদ্ধিমত্তা নির্ভর করে তাঁর মায়ের জিনের উপর! সেখানে বাবার জিনের কোনও ভূমিকা নেই!

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শিশুর ইন্টালিজেন্স কোশেন্ট (আইকিউ) কতটা উন্নত হবে তা নির্ভর করে কন্ডিশনিং জিনের উপর, যা একজন শিশু তাঁর মায়ের থেকেই পায়।

কাজেই সিঙ্গল মহিলা যাঁরা ‘জিনিয়াস’ সন্তান যান, তাঁদের আর নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পার্টনার খুঁজতে হবে না! এমনকী পার্টনার খোঁজারও প্রয়োজন নেই! স্পার্ম ব্যাঙ্কে গেলেই ‘কাম তমাম’! আপনার সন্তান বুদ্ধিদীপ্ত হবে আপনার কারণে, কোনও পুরুষের কারণে নয়!

একদল ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে এই তথ্য আবিষ্কার করেন গবেষকরা! পরীক্ষায় দেখা যায়, সদ্যোজাত ইঁদুরেরা যারা মায়ের জিন বেশি পেয়েছে তাদের মাথাটা বড়, দেহ ছোট, তারা বেশি বুদ্ধিমান।

অন্যদিকে ইঁদুর ছানা যাদের শরীরে পুরুষ জিন বেশি, তাদের মাথাটা ছোট, দেহ বড়, তারা অপেক্ষাকৃত কম বুদ্ধিমান।

‘আন্ডারস্টছান্ডিং মাদারস জেনেটিকস’নামের এই সমীক্ষায় এও দেখা যায়, মায়ের সঙ্গ, ছোঁয়া, আবেগও শিশুর আইকিউ উন্নত করে! মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০জন শিশুর উপর একটি পরীক্ষা করে।

সেখানে দেখা যায়, যে সন্তানেরা মায়ের বেশি ঘনিষ্ঠ, মায়ের সঙ্গে বেশি সময় কাটায় তারা মাত্র দু’বছর বয়সেই, বয়সের তুলনায় কঠিন ও জটিল কোনও খেলা যেমন ‘পাজল’-এর সমাধান খুব সহজেই করে ফেলছে!

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা শিশুর মস্তিষ্ক উন্নত করে।

পাশাপাশি মায়ের ঘনিষ্ঠ শিশুরা কম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।

Download Best WordPress Themes Free Download
Download Nulled WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
online free course