সিজিপিএ দিয়ে উচ্চশিক্ষার মান বাড়ে না : ইউজিসি চেয়ারম্যান

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইউজিসির এসপিকিউ বিভাগ আয়োজেতি ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইকিউএসির (ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল) বর্তমান অবস্থা এবং করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী কর্মশালায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সিজিপিএ’র লাগাম টেনে ধরতে শিক্ষকদের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। সর্বোচ্চ নম্বর দিয়ে শিক্ষার মান বাড়ছে না বরং শিক্ষার মান কমছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইউজিসির এসপিকিউ বিভাগ আয়োজেতি ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইকিউএসির (ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল) বর্তমান অবস্থা এবং করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী কর্মশালায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়।

তিনি বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষার কাঙ্ক্ষিতমান নিশ্চিত করতে ইউজিসি তদারকি কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। গুণগত শিক্ষা নির্ভর করে মানসম্মত শিক্ষকদের ওপর। শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষকদের জ্ঞান এবং দক্ষতা প্রয়োজনের নিরিখে বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকে শিক্ষার মান বৃদ্ধির নামে সিজিপিএ ৪ বা সর্বোচ্চ সিজিপিএর লাগাম টেনে ধরার পরামর্শ ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, আগে প্রতি বিভাগে ১ থেকে ২ জন প্রথম শ্রেণি পেত। বর্তমানে ৬০ এর অধিক জনকে প্রথম শ্রেণি দেয়া হচ্ছে। এতে মান বৃদ্ধি হচ্ছে না বরং শিক্ষার মান কমছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্নাতকদের গুণমান এবং দক্ষতার অভাব রয়েছে। অদক্ষ কর্মী নিয়োগে প্রতিষ্ঠানসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইউজিসি উচ্চশিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রফেসর শহীদুল্লাহ বলেন, দেশে শিক্ষার মান বাড়াতে আইকিউএসি গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষককরা যদি আগামীর জন্য নিজেদের তৈরি না করেন তাহলে তারা অসুবিধায় পড়বেন। নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনবেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, আইকিউএসি এ দেশে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার সংস্কৃতি তৈরি করবে। এটি সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণার সংস্কৃতি চালু করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কর্মক্ষমতা অনুযায়ী আগামীতে বার্ষিক বাজেট দেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন ও গবেষণা কার্যক্রমের উৎকর্ষ অনুযায়ী ভবিষ্যতে বাজেট প্রদান করা হবে।

কর্মশালায় ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মো. আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, সচিব ড. মো. খালেদ, ইউজিসির বিভাগীয় প্রধানগণ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসির পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

Download Best WordPress Themes Free Download
Download Premium WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
online free course