সিনেমা আমার প্রাণ, আর ঢাকা-১৭ আমার হৃদয় : ফারুক

সদ্য শেষ হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। মাটি ও মানুষের প্রিয় নায়ককে পর্দায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে।নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বাস্তব জীবনে এবার সাধারণ মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান তিনি। নির্বাচিত আসনের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে চান। রোববার সন্ধ্যায় নায়ক ও এমপি ফারুক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সেখানে তিনি রাজনীতি ও প্রিয় চলচ্চিত্র নিয়ে কথা বলেছেন।      

সদ্য শেষ হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। মাটি ও মানুষের প্রিয় নায়ককে পর্দায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে।নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বাস্তব জীবনে এবার সাধারণ মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান তিনি। নির্বাচিত আসনের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে চান। রোববার সন্ধ্যায় নায়ক ও এমপি ফারুক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সেখানে তিনি রাজনীতি ও প্রিয় চলচ্চিত্র নিয়ে কথা বলেছেন।

এমপি হিসেবে সিনেমার জন্য কী কাজ করবেন জানতে চাইলে ফারুক বলেন, ঢাকা শহরে একজন এমপি হিসেবে অনেক সাবধানে পা ফেলতে হবে, সাবধানে কথা বলতে হয়। আমি এখনও সংসদেই গেলাম না, সেখানে কী কী হয় সেটা আমরা দেখি টেলিভিশনের পর্দায়, সিনেমায় দেখার মতো। এখানে যারা কাজ করেন কী যে কঠিন, সে জায়গাটিতেই এখনও যেতে পারি নাই। সেখানে যাওয়ার আগেই বলা যাবে না ওই স্কোপগুলো কতটুকু পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, আমার মনে হয় যদি সেরকম স্কোপ পাই অবশ্যই বলবো। একটা কথা কী জানেন সন্তানদের অনেক আশা থেকে বাবার কাছে। কিন্তু তাদের বোঝার মতো ক্ষমতা থাকতে হবে বাবা আয় কতটুকু আছে। কতটুকু রোজগার আছে সেটাও কিন্তু ভাবতে হবে।এই সংসদ সদস্য বলেন, আমি একটা কথা বলবো, আমি যে আসনের এমপি, এই আসনে অনেক কাজ করার আছে। সেই জন্যেই কিন্তু এখানকার মানুষরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। আমি বলেছিলাম নৌকা আমার। এই যে দাবি এই দাবির উপরে তাদেরও দাবি আছে।নিজের পরিকল্পনা নিয়ে ফারুক বলেন, আমার এলাকায় প্রতিটি জায়গায় আমি গিয়েছি, হেটেছি, দেখেছি। এখানে একটা থিয়েটারও নেই, একটা সিনেমা হলও নেই। ভাষানটেক যেটা অনেক বড়। তিনটা এলাকা অনেক কাজই করার রয়েছে।

প্রথমে ভেবেছিলাম শহরের ভেতরে অনেক ভালো হলো, কাজ হয়তো অনেক কম করতে হবে। যখন দেখলাম ঘুরলাম আর দেখলাম সিনেমায় আমি যেরকম ক্যারেক্টার করে আমি মানুষের কাছাকাছি চলে গেছি সেই জিনিসগুলো আমার চোখে পড়েছে। সিনেমার মানুষ আমার কাছে অনেক আশা করে। কিন্তু, সিনেমার মানুষ হিসেবে আমি সংসদে যাইনি। আমি এখানে গিয়েছি এদেশের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে। সিনেমার জায়গাটা আমাকে প্লাস করেছে। না হলে ১৭-১৮ দিনের চেষ্টায় একজন মানুষ এই জায়গায় আসতে পারে না।

সেই কারণেই আমি বলেছিলাম ‘সিনেমা আমার প্রাণ, আর ঢাকা-১৭ আমার হৃদয়’। দুটো জায়গা নিয়েই আমি খুব ঝামেলায় থাকবো আমার মনে হয়। আমার জায়গা যখন বলবেন তখন আমি ঢাকা-১৭-র কথা বলবো। আবার যখন ফিরে আসবেন তখন আবার সিনেমায় কথা বলবো। আমার এখন প্রথম কাজ হচ্ছে মানুষের কাজ করা। মানুষের কথা বলার পর যদি সুযোগ হয় তখন আমি সিনেমার কথা বলবোই।

Download WordPress Themes Free
Download Best WordPress Themes Free Download
Download Premium WordPress Themes Free
Download Premium WordPress Themes Free
free download udemy paid course