সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম: ছয় লাখ টাকার মেশিন ৯৬ লাখে ক্রয়

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেনাকাটায় শুধু অনিয়ম আর অনিয়ম। একটি ওটি লাইটের সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা হলেও তা কেনা হয়েছে ৯৬ লাখ টাকায়। অর্থাৎ ১৬ গুণ দামে কেনা হয়েছে এটি। এভাবে বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী কেনায় হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বিপুল অঙ্কের অর্থ। আর এসব অনিয়মের প্রায় সবই করা হয়েছে হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়–য়ার নেতৃত্বে। এজন্য তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সিন্ডিকেট ও সন্ত্রাসী বাহিনী। দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলায় তার সাজা হলেও তিনি বহাল তবিয়তেই আছেন। শুধু তাই নয়, চিকিৎসক হিসেবে দুটি ‘ডক্টরস কোড’ ব্যবহারের প্রমাণও আছে তার বিরুদ্ধে। এসব অনিয়মের প্রমাণ কাছে আছে। যদিও তিনি এর সবই অস্বীকার করেছেন।

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেনাকাটায় শুধু অনিয়ম আর অনিয়ম। একটি ওটি লাইটের সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা হলেও তা কেনা হয়েছে ৯৬ লাখ টাকায়। অর্থাৎ ১৬ গুণ দামে কেনা হয়েছে এটি। এভাবে বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী কেনায় হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বিপুল অঙ্কের অর্থ। আর এসব অনিয়মের প্রায় সবই করা হয়েছে হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়–য়ার নেতৃত্বে। এজন্য তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সিন্ডিকেট ও সন্ত্রাসী বাহিনী। দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলায় তার সাজা হলেও তিনি বহাল তবিয়তেই আছেন। শুধু তাই নয়, চিকিৎসক হিসেবে দুটি ‘ডক্টরস কোড’ ব্যবহারের প্রমাণও আছে তার বিরুদ্ধে। এসব অনিয়মের প্রমাণ কাছে আছে। যদিও তিনি এর সবই অস্বীকার করেছেন।

যুগান্তরের অনুসন্ধান ও হাতে আসা বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অপারেশন থিয়েটারের জন্য ২টি ওটি লাইট কেনা হয় ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা দরে। অথচ সরকারি ‘প্রাইস গাইডলাইনে’ ১টি ওটি লাইটের সর্বোচ্চ দাম উল্লেখ করা ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৪০০ টাকা। অর্থাৎ দুটি ওটি লাইট কিনে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে এক কোটি চল্লিশ লাখ টাকা। একই বছর যন্ত্রপাতিসহ একটি কোবলেশন মেশিন কেনা হয়েছে ৯৬ লাখ টাকায়, আরেকটি ২৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকায়। কিন্তু সরকারি প্রাইস গাইডের (সিঅ্যান্ডএফ-এফওবিসহ) দাম ধরা আছে ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ টাকা। অর্থাৎ এ দুটি মেশিন কিনে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে এক কোটি ১০ লাখ টাকা।

ভেন্টিলেটরসহ অ্যানেসথেসিয়া মেশিন কেনা হয়েছে ৫৮ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকায়। গাইডলাইনে যার সর্বোচ্চ ক্রয়সীমা ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬০০ টাকা। গাইডলাইন অনুযায়ী, সিপিআর মেশিনের দাম সর্বোচ্চ ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ টাকা হলেও তিনটি সিপিআর মেশিন কেনা হয়েছে ৬৯ লাখ ৮৫ হাজার, ৭১ লাখ ১০ হাজার ও ৪২ লাখ ১০ হাজার টাকায়। অর্থাৎ এ তিনটি যন্ত্র কেনায় খরচ হওয়ার কথা ১৮-২০ লাখ টাকা। অথচ ব্যয় করা হয়েছে পৌনে দুই কোটি টাকার বেশি।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানান, ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া ২০১৩ সালে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক এবং ২০১৫ সালে পরিচালক হন। কিন্তু তার আগেই ২০১২ সালে বিএমএর নেতৃত্বে আসার পর থেকেই তিনি হাসপাতালের সবকিছু এককভাবে নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন। এজন্য তিনি গড়ে তোলেন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। হাসপাতালের সহকারী পরিচালকও আছেন এ চক্রে। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি অ্যাকাউন্ট্যান্ট নাসিরকে দুর্নীতির দায়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর বরখাস্ত করলেও ওই সিন্ডিকেটের কল্যাণে তিনি নিয়মিত অফিস করছেন। লুটপাটের সুবিধার্থে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী এক ওয়ার্ড মাস্টারকে দেয়া হয়েছে লোকাল ওয়ার্ডের ম্যানেজার মেইনটেন্যান্সের দায়িত্ব। এই চক্রটির ভয়ে গত ৬-৭ বছর এখানে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক টেন্ডার হয় না।

২০১২ সালে চক্রটির উত্থানের পর ওই বছরই কিডনি চিকিৎসায় ব্যবহৃত লিথোপ্রিপসি মেশিন প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকায় কেনা হয়, যা এক বছর না যেতেই পরিত্যক্ত হয়। একই বছর অনিয়মের মাধ্যমে দ্বিগুণেরও বেশি দামে সাড়ে সাত কোটি টাকায় একটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়, যা ৬ মাস না যেতেই বিকল হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে আবার ৭০ লাখ টাকায় ঠিক করা হলেও এখন পরিত্যক্ত। ফলে প্রতি মাসে অক্সিজেন সিলিন্ডারের পেছনে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

লাশ রাখার অবকাঠামো নির্মাণ না করেই কেনা হয়েছে ডিপ ফ্রিজ। লেসিক মেশিনের বাজারমূল্য আড়াই কোটি টাকা হলেও কেনা হয় সাড়ে চার কোটি টাকায়। প্রায় ২ কোটি টকা মূল্যের এন্ডোসকপি মেশিন অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ইএনটি লেজার মেশিন পড়ে আছে পরিত্যক্ত অবস্থায়। সবই ওই সিন্ডিকেটের কাণ্ড।

শুধু এসবই নয়, হাসপাতালের জন্য লিথোট্রিপসি মেশিন, আইসিইউ, এনআইসিইউ ও পিআইসিইউর জন্য অতি উচ্চমূল্যে নিুমানের মেশিন কেনা হয়েছে। যেগুলো প্রায় সবই অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। অনেক টাকা ব্যয় করা হলেও এখনও চালু হয়নি হাসপাতালটির এনআইসিইউ ও পিআইসিইউ ইউনিট। অনেক দামে নিুমানের অপথালমোলজি বিভাগের লেসিক মেশিন, নাক, কান ও গলা বিভাগের লেজার মেশিন, আর্র্থোস্কোপিক মেশিন, অপারেশন থিয়েটারের লাইট, প্যাথলজি মেশিন, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হলেও প্রতিটিই এখন ব্যবহার অনুপযোগী।

এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে বদলিসহ নানাভাবে হয়রানি করে ওই সিন্ডিকেট। অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলায় হাসপাতালের এক প্রকৌশলীকে এক কাপড়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব অপকর্ম সুচারুরূপে করতে পরিচালকের রয়েছে সন্ত্রাসী বাহিনী। যারা দিনে হাসপাতালে ঘোরাফেরা করে, আর রাতে পরিচালকের কোয়ার্টারে অবস্থান করে।

হাসপাতালের এসব অনিয়মের সবই হয় পরিচালকের নেতৃত্বে। ২০১৬ সালে একটি এমআরআই মেশিন কেনায় সুস্পষ্টভাবে দুর্নীতির প্রমাণ পায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালায় ‘অসদাচরণ ও দুর্নীতি’ বিভাগীয় মামলা হয়। মামলায় সাজা হিসেবে তার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। কিন্তু পরিচালকের দুর্নীতি থামানো সম্ভব হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদফতর ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাধিক অধ্যাপক জানান, ১৯৯৭ সালে সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে ৩শ’ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার পদে যোগদান করেন উত্তম কুমার বড়–য়া। তার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি বিভিন্ন সময় দুটি ‘ডক্টরস কোড’ (পরিচিতি নম্বর) ব্যবহার করেছেন। অথচ একজন ডাক্তারের একটি নম্বর থাকার কথা। তার প্রকৃত কোড ১০৭২৭১ হলেও চাকরির বিভিন্ন জায়গায় ১০১০৬০৯ কোড নম্বর ব্যবহার করেছেন। তিনি বিসিএস ক্যাডার না হয়েও নিজেকে ২১তম বিসিএস ক্যাডার দেখিয়ে চিকিৎসকদের ফাউন্ডেশন ট্রেনিং তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। যেখানে তার ১০৭২৭১ কোডটি ব্যবহৃত হয়েছে। আবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এইচআরআইএস বায়োডাটায় ১০১০৬০৯ কোডটি ব্যবহার করেছেন তিনি। তাছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেপুটেশনে না থাকলেও তার জীবনবৃত্তান্তে তা উল্লেখ করে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। এসব কাগজপত্র যুগান্তরের কাছে রয়েছে।

এসব দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ২৯ জুলাই চট্টগ্রাম সদর রেজিস্ট্রি অফিসে দুই কোটি টাকা মূল্যে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ মন্দিরসংলগ্ন একটি ভবন জমিসহ রেজিস্ট্রি করেছেন। যদিও প্রকৃতপক্ষে জমির মূল্য বাবদ তিনি পরিশোধ করেছেন সাড়ে তিন কোটি টাকা। এর আগে ৭ জানুয়ারি তার ভাই দিলীপ কুমার বড়ুয়ার নামে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ মন্দিরসংলগ্ন একটি জমিসহ বাড়ি ক্রয়ের বায়না ৫ কোটি টাকা মূল্য দেখানো হয়েছে। যদিও প্রকৃতপক্ষে পরিশোধ করা হয়েছে ১২ কোটি টাকা। জমি কেনার এসব কাগজপত্র যুগান্তরের কাছে রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকার ইন্দিরা রোডে দুই হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট, ধানমণ্ডি ২৮-এ তিন হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট, শ্যামলী স্কয়ারে দোকানসহ নামে-বেনামে বিপুল অর্থসম্পদ রয়েছে উত্তম কুমার বড়ুয়ার। দেশের বাইরে মালয়েশিয়ায়ও তিনি ফ্ল্যাট কিনেছেন এবং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ফ্ল্যাট কেনার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়েছেন।

কোনো প্রাইভেট প্র্যাকটিস না করে শুধু সরকারি চাকরি থেকে কিভাবে এত সম্পদ গড়লেন- সে বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের যে খবর গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়, তাও সাজানো ছিল বলে প্রমাণ পেয়েছেন প্রকৌশলীরা। প্রকৌশলীরা নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করে দেখেছেন, এ আগুনের শুরু বিদ্যুৎ লাইন বা সিস্টেমের কোনো ক্রটির কারণে নয়। এর পেছনেও পরিচালকের কারসাজি দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

একাধিক চিকিৎসক যারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করেছেন তারা অভিযোগ করেছেন, ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া ১৯৮৪-৮৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেননি। কারণ তার এসএসসি ও এইচএসসির প্রাপ্ত নম্বর ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত ছিল না। তবে মেডিকেল কলেজগুলোতে প্রথম ধাপের ভর্তি শেষ হওয়ার পর যখন মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয় তখন জালিয়াতি করে সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে মাইগ্রেশনপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকায় তার নাম ঢুকিয়ে দেন। সিলেট মেডিকেল কলেজের কেরানি মনির আহমেদের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের তালিকার একদম শেষে ও অধ্যক্ষের স্বাক্ষরের উপরের খালি স্থানে তার নাম বসিয়ে দেয়া হয়। এভাবেই চরম অনিয়মের মাধ্যমে ময়মনসিংহ মেডিকেলে ভর্তি হন উত্তম কুমার বড়ুয়া।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে শুক্রবার রাতে ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়াকে ফোন করা হলে তিনি প্রতিনিধিকে শনিবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা করতে বলেন। যুগান্তর প্রতিনিধি শনিবার দুপুরে হাসপাতালে গেলে তিনি বলেন, এআরআই মেশিনের মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে, শাস্তির সময়ও পেরিয়ে গেছে।

২০১৮ সালের কেনাকাটা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওপেন টেন্ডারে এসব কেনাকাটা হয়েছে। প্রাইস গাইডলাইনের চেয়ে অনেক বেশি দামে কেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যন্ত্রপাতি ক্রয়ে সরকারের প্রাইস গাইডলাইন বলে কিছু নেই। তবে পরে বলেন, গাইডলাইন যেটা রয়েছে সেটা ভারি যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

সিন্ডিকেটের অভিযোগ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, আমি কোনো সিন্ডিকেট করিনি। আর অভিযুক্ত কর্মচারী নাসির অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছে। লাশ রাখার ফ্রিজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে ফ্রিজ এবং লাশঘর সবই আছে। দুটি ‘ডক্টরস কোড’ ব্যবহার প্রসঙ্গে বলেন, সবারই দুটি করে কোড থাকে। তার বিপুল সম্পদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার সব সম্পদই বৈধ।

সামগ্রিক বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, আমরা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। মেশিনপত্র কেনাকাটা নিয়ে বেশকিছু অভিযোগের বিষয়ে জানি। তবে সব অভিযোগ আমার জানা নেই। ভালোভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

Newsletter

Download WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Free Download WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
udemy paid course free download