স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন যেভাবে

অল্প সময়ের ব্যবধানে যারা কোনো কিছু ভুলে যান, তারা সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন। শরীরচর্চা করলে দেহের পেশির সঙ্গে মস্তিষ্কের আকারও বৃদ্ধি পায়। ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের সিন্যাপসের সংখ্যা বাড়ে। এর ফলে মগজে নতুন নতুন কোষ তৈরি হয়। তাই ব্যায়ামটা খুব জরুরি। কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়ামের ফলে মগজে বেশি হারে অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ সরবরাহ হয়।

অল্প সময়ের ব্যবধানে যারা কোনো কিছু ভুলে যান, তারা সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।

শরীরচর্চা করলে দেহের পেশির সঙ্গে মস্তিষ্কের আকারও বৃদ্ধি পায়। ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের সিন্যাপসের সংখ্যা বাড়ে।

এর ফলে মগজে নতুন নতুন কোষ তৈরি হয়। তাই ব্যায়ামটা খুব জরুরি।

কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়ামের ফলে মগজে বেশি হারে অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ সরবরাহ হয়।

আর আপনি যদি খোলা জায়গায় ব্যায়াম করেন, তাহলে বাড়তি পাওনা হলো ভিটামিন ডি।

শরীর চর্চার পাশাপাশি নতুন জায়গায় বেড়াতে যান, নতুন ধরনের কাজ শুরু করুন। অথবা নতুন কোন আইডিয়া নিয়ে মেতে থাকুন।

যেমন, যদি আপনার শখ হয় বাগান করা, তাহলে আরো কিছু বন্ধুকে সাথে নিয়ে বাগান করুন।

পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়াতে ভাল লাগলে, সাথে যাওয়ার সঙ্গী খুঁজে বের করুন।

শুধু খেয়াল রাখবেন পুরো ব্যাপারটি যেন আপনি উপভোগ করতে পারেন। এতে মস্তিষ্কের ওপর ব্যায়ামের উপকারিতা বাড়ে।

খাবারের বিষয়েও সতর্ক হওয়া জরুরি। খাবারের ২০ শতাংশ শর্করা এবং শক্তি আপনার মস্তিষ্কে যায়। মস্তিষ্কের কাজের পুরোটাই নির্ভর করে তার গ্লুকোজের মাত্রার ওপর।

শরীরে গ্লুকোজের মাত্রায় হেরফের হলে আপনার মনেও দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।

যেসব খাবার আপনারা খুব পছন্দ সেগুলো খেলে আপনার মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড এরিয়ায়’ ডোপামিন রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আপনার মনে খুশি খুশি ভাব হয়।

কিন্তু মস্তিষ্কের শক্তিবৃদ্ধির পাশাপাশি আপনার পেটের দিকেও নজর রাখতে হবে। মানুষের দেহের পরিপাকতন্ত্রে একশো ট্রিলিয়নেরও বেশি অণুজীব বসবাস করে। এরা আপনার মস্তিষ্কের সঙ্গেও সংযোগ রক্ষা করে।

মগজের সুস্থতার জন্য এই অণুজীবগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুব জরুরি। আসলে, পাকস্থলীকে অনেক সময় ‘দ্বিতীয় মগজ’ বলে ডাকা হয়।

পেটে নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর খাবার ঢুকলে এসব অণুজীবের মাধ্যমে তার সুফল মস্তিষ্কে পর্যন্ত পৌঁছায়।

মস্তিষ্কের কোষ ফ্যাট অর্থাৎ স্নেহ পদার্থ দিয়ে তৈরি। তাই খাবার থেকে তেল-চর্বি একেবারে বিদায় না করাই ভাল। বাদাম, তেলের বীজ, মাছ ইত্যাদি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে জন্য ভাল।

আর খাবার সময় একা একা না খাওয়াই ভাল। সবার সাথে বসে খাবার খেলে তা মস্তিষ্কের জন্য সুফল বয়ে আনে।

দুশ্চিন্তা ও মানসিক অশান্তি মানুষের স্মৃতিশক্তি কমিয়ে দেয়। তাই স্মৃতিশক্তি ধারালো রাখার জন্যে মনকে ঝরঝরে রাখা জরুরি। এ জন্য মেডিটেশন, ইয়োগা করলে ভাল হয়।

মানুষের মন ভিজুয়াল বা ইমেজ স্মরণে রাখতে পটু। তাই যে কোনো স্মৃতির সঙ্গে ইমেজ অ্যাসোসিয়েশন স্মৃতিশক্তি প্রখর করার জন্যে কার্যকরী ভূমিকা পালক করে।

‘ব্রেন গেম’ যেমন পাজল, সুডোকু, ক্রসওয়ার্ডস এগুলো মানুষের স্মৃতিশক্তিকে আরো প্রখর করে তুলতে বিরাট ভূমিকা পালন করে। তাই এগুলো খেলতে পারেন।

Free Download WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Download Nulled WordPress Themes
Download WordPress Themes
online free course