হাড় ক্ষয় রোগ প্রতিরোধের উপায় জেনে নিন

অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাবে হয়ে থাকে। এটি এমন একটি রোগ, যাতে হাড়ের ঘনত্ব এবং গুণগতমান হ্রাস পায়। হাড়গুলো ছিদ্র এবং ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। 

অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাবে হয়ে থাকে। এটি এমন একটি রোগ, যাতে হাড়ের ঘনত্ব এবং গুণগতমান হ্রাস পায়। হাড়গুলো ছিদ্র এবং ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। 

কখন হাড় ক্ষয় হয়: হাড়ের ক্ষয় নিঃশব্দে এবং প্রগতিশীলভাবে ঘটে। এক সময় হাড় দুর্বল হয়ে যায়। প্রথম ফ্র্যাকচার না হওয়া পর্যন্ত প্রায়ই কোন লক্ষণ থাকে না। এটি প্রধানত বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। যেসব নারীর বয়স সাধারণত ৪০ বছরের উপরে। তবে পুরুষেরও এ রোগ হয়ে থাকে।

কারণসমূহ:
• দেহে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে।
• দেহে ভিটামিন ডি এর অভাব হলে।
• মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন এবং ছেলেদের টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ কমে যাওয়া।
• নিয়মিত ব্যায়াম না করলে হাড়ের ঘনত্ব ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ফলে এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
• ধূমপান করলে পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমে এবং হাড় ক্ষয় ত্বরান্বিত করে।
• বয়স বেড়ে যাওয়া।
• অতিরিক্ত পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন অস্টিপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

লক্ষণসমূহ:
• কোমর ব্যথা।
• সময়ের সাথে সাথে উচ্চতা হ্রাস।
• প্রত্যাশার চেয়ে অনেক আগেই হাড় ভেঙে যাওয়া।
• পিঠে ব্যথা।

যেভাবে প্রতিরোধ করবেন: মূলত সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে অস্টিওপোরেসিস বা হাড় ক্ষয় রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এছাড়া কিছু খাবার খেলে এর ঝুঁকি কমে—

সবুজ শাক-সবজি: গাঢ় সবুজ শাক-সবজি যেমন বাঁধাকপি, ফুলকপি, শালগম ইত্যাদিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়াও এর ভিটামিন কে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়।

দধি: এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যা হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

লেবুজাতীয় ফল: লেবুতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, যা হাড়ের কোলাজেন ও তন্তুময় অংশ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে।

মাছ: মাছে রয়েছে ভিটামিন ডি, যা হাড়ের গঠনের জন্য খুব বেশি প্রয়োজন।

বাদামজাতীয় খাবার: এতে রয়েছে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম, যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে ভূমিকা পালন করে।

দুধ: দুধ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি এর সহজলভ্য উৎস। ফলে এর দ্বারা হাড় ক্ষয় রোধ করা সম্ভব।

সতর্কতা: যাদের দুধ খেলে অ্যালার্জি হয়, তারা দুধ পরিহার করুন। তবে দুধের তৈরি যে কোন খাবার যেমন দই, আইসক্রিম ও পনির ইত্যাদি খাবেন।

Download Best WordPress Themes Free Download
Download Nulled WordPress Themes
Download Best WordPress Themes Free Download
Download Best WordPress Themes Free Download
free download udemy paid course