১০০ বছর পর চিঠি পোঁছাল প্রাপকের ঠিকানায়

১০০ বছর আগে ডাকযোগে একটি চিঠি ছাড়া হয়েছিল। অবশেষে সেই চিঠিটি প্রাপকের ডাকবাক্সে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ব্রিটানি কিচ নামের এক নারী চিঠিটি পান। সিএনএনর প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০ বছর বয়সী এই নারী বলেন, আমার কাছে ব্যাপারটি খুবই অদ্ভুত লেগেছে। কারণ, বর্তমান যুগে কেউ পোস্টকার্ড পাঠায় না। তখনই মনে হলো, ব্যাপারটি আলাদা।

১০০ বছর আগে ডাকযোগে একটি চিঠি ছাড়া হয়েছিল। অবশেষে সেই চিঠিটি প্রাপকের ডাকবাক্সে পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ব্রিটানি কিচ নামের এক নারী চিঠিটি পান।

সিএনএনর প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০ বছর বয়সী এই নারী বলেন, আমার কাছে ব্যাপারটি খুবই অদ্ভুত লেগেছে।

কারণ, বর্তমান যুগে কেউ পোস্টকার্ড পাঠায় না। তখনই মনে হলো, ব্যাপারটি আলাদা।

এরপর তিনি খেয়াল করেন, পোস্টকার্ডটি পাঠানোর তারিখ ১৯২০ সালের ২৯ অক্টোবর।

তার বর্তমান ঠিকানায় রয় ম্যাককুইন নামের এক ব্যক্তির কাছে পাঠানো হয়েছিল পোস্টকার্ডটি। ফ্লোসি বার্জেস নামের এক ব্যক্তি পাঠিয়েছিল এটি।

কিচ জানান, তার জন্মেরও বহু বছর পূর্বে পাঠানো কার্ডটি এখন এসে পৌঁছানোর কারণ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই।

পোস্টাল সার্ভিসের একজন মুখপাত্র জানান, এ ধরনের ঘটনায় পুরানো চিঠি বা পোস্টকার্ড ডাকবিভাগে আসার পর হারিয়ে যাওয়া ও পুনরুদ্ধারের ঘটনা কমই ঘটে।

সাধারণত মানুষ ফ্লে মার্কেট, অ্যান্টিকের দোকান বা অনলাইন থেকেই এ ধরনের পুরনো জিনিস কিনে পুনরায় ডাকবিভাগে পাঠান।

ঠিকানা দেয়া থাকলেই আমরা কার্ড বা চিঠিগুলো সেই ঠিকানায় পাঠিয়ে দেই।

ম্যাককুইন বা বার্জিসের কোনো পরিবারের সদস্য বা দুটি পরিবারের সদস্যদের চেনেন এমন কাউকে খুঁজে পেতে কিচ পোস্টকার্ডটির ছবি একটি ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করেছেন।

তিনি বলেন, এই পরিবারের বংশধরদের খুঁজে পেতে দুইজন আমাকে সাহায্য করছেন।

Premium WordPress Themes Download
Free Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
free download udemy course