১ লাখ ইএফডি মেশিন কিনবে সরকার, ব্যয় ৩১৫ কোটি

নতুন ভ্যাট আইনের আওতায় ভ্যাট সংগ্রহের জন্য এক লাখ ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস কিনবে সরকার। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সবগুলো মেশিন কেনা হবে। প্রথম লটে ১০ হাজার মেশিন কেনা হবে। এতে সরকারের ব্যয় হবে ৩১৫ কোটি ৮৮ লাখ ২১ হাজার টাকা।

নতুন ভ্যাট আইনের আওতায় ভ্যাট সংগ্রহের জন্য এক লাখ ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস কিনবে সরকার। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সবগুলো মেশিন কেনা হবে। প্রথম লটে ১০ হাজার মেশিন কেনা হবে। এতে সরকারের ব্যয় হবে ৩১৫ কোটি ৮৮ লাখ ২১ হাজার টাকা।

বুধবার (২৪ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এটিসহ সর্বমোট ছয়টি দরপ্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বিস্তারিত তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।

সাপ্লাই, ইনস্টলেশন অ্যান্ড কমিশনিং অ্যান্ড অপারেশন অব ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমস (ইএফডিএমএস) এলং উইথ ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি), সেলস ডাটা কন্ট্রোলার (এসডিসি) অ্যান্ড ম্যানেজড সার্ভিসেস নামের প্রকল্পটিকে বাংলাদেশের লাইফ লাইন হিসেবে আখ্যায়িত করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পটি হচ্ছে বাংলাদেশের লাইফ লাইন। রাজস্ব আদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় এবং মুখ্য এলাকা হলো মূসক সংগ্রহ। ১০ বছর আগে থেকে ভ্যাট থাকলে ভালো হতো। কিন্তু তা নেই। সে কারণে আমরা পিছিয়ে গেছি। যাই হোক, এ বছর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনেক বৈঠক করে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। কিন্তু যারা ভ্যাট দেবে তাদের ওখানে মেশিন বসানোর কোনো জায়গা নেই। তার পরও আমরা মেশিন কিনছি। এক লাখ মেশিন কিনব। এত মেশিন একসঙ্গে এবং এক জায়গা থেকে আমরা কিনব না। কারণ কোনো কারণে যদি আমরা আটকা পড়ে যাই, তা হলে পুরো ব্যাপারটিই ঝুলে যাবে। তাই আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে কিনব। এ ক্ষেত্রে একটা শর্ত আছে। সেটি হলো, যারাই মেশিন সরবরাহ করুক না কেন মেইন সার্ভার নিয়ন্ত্রণ করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। তাই সেভাবেই তাদের সরবরাহ করতে হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, প্রথমে আমরা ১০ হাজার মেশিন কেনা দিয়ে শুরু করব। তার পর ধীরে ধীরে আমরা সংখ্যা বাড়িয়ে ১ লাখ করব। দুই বছরে আমাদের দুই লাখ মেশিন লাগবে। আমাদের অনেক জনবল লাগবে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। তাই আশা করি, আমরা ফেইল করব না। আমরা যে ভ্যাট হার রেখেছি তা পৃথিবীর সবচেয়ে কম বলা চলে। আমরা কারোর ওপর চাপিয়ে দিচ্ছি না। ব্যবসায়ীদের দাবি ছিল সিঙ্গেল রেট যাতে না করি। আমরা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সংস্থাকে অনেক কষ্টে রাজি করিয়ে এটা বাস্তবায়ন করেছি। তাই সবাই যদি কিছু কিছু ট্যাক্স দেন, তা হলে আমাদের রাজস্ব অনেক বাড়বে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব মেশিন বিভিন্ন দোকান ও শপিংমলে প্রদান করা হবে। পরে লম্বা কিস্তিুতে মেশিনের দাম সরকারকে পরিশোধ করবেন ব্যবসায়ীরা। এসজেডজেড-কেএমএমটি-সিনেসিস-ইএটিএল নাম একটি চীনা কোম্পানি এসব মেশিন আমদানির কাজ পেয়েছে। প্রতিটি মেশিন আমদানিতে খরচ হবে প্রায় ৩২ হাজার টাকা। তবে এ কোম্পানিটির পূর্বে এমন কাজের কোনো অভিজ্ঞতা নেই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

Download Premium WordPress Themes Free
Download Nulled WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
online free course