২০টি চলচ্চিত্রকে দেওয়া হচ্ছে অনুদান

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক শাখায় ৬০ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছেন প্রযোজক, পরিচালক ও চিত্রনাট্য জেড এইচ মিন্টুর ‘ক্ষমা নেই’। কাহিনী লিখেছেন শেখ ফজলুর রহমান মারুফ (শেখ মারুফ)। একই শাখায় যথাক্রমে ৬০ ও ৬৫ লাখ টাকা অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে আরও আছে দুটি ছবি। প্রযোজক ও পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের ‘সাড়ে তিন হাত ভূমি’। ছবিটির চিত্রনাট্যকার পান্থ শাহরিয়ার। অন্যটি হচ্ছে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’। এর প্রযোজক বদরুন নেছা খানম। পরিচালক উজ্জল কুমার মণ্ডল, কাহিনী ও চিত্রনাট্য সাজেদুল আউয়াল।

চলচ্চিত্রশিল্পে মেধা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করাই অনুদানের মূল লক্ষ্য। ১৯৭৬-৭৭ অর্থবছর থেকে দেশীয় চলচ্চিত্রে সরকারি এ অনুদান চালু করা হয়। মাঝে কয়েক বছর বাদে প্রতিবছরই অনুদান দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ২০টি চলচ্চিত্রকে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি এখনো প্রজ্ঞাপনে মাধ্যমে ঘোষণা না দিলেও ২০টির মধ্যে জানা গেছে ১৪টি চলচ্চিত্রের নাম।

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক শাখায় ৬০ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছেন প্রযোজক, পরিচালক ও চিত্রনাট্য জেড এইচ মিন্টুর ‘ক্ষমা নেই’। কাহিনী লিখেছেন শেখ ফজলুর রহমান মারুফ (শেখ মারুফ)। একই শাখায় যথাক্রমে ৬০ ও ৬৫ লাখ টাকা অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে আরও আছে দুটি ছবি। প্রযোজক ও পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের ‘সাড়ে তিন হাত ভূমি’। ছবিটির চিত্রনাট্যকার পান্থ শাহরিয়ার। অন্যটি হচ্ছে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’। এর প্রযোজক বদরুন নেছা খানম। পরিচালক উজ্জল কুমার মণ্ডল, কাহিনী ও চিত্রনাট্য সাজেদুল আউয়াল।

শিশুতোষ শাখায় অনুদান পাচ্ছে দুই ছবি। এরমধ্যে ৫০ লাখ টাকা অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ‘মাইক’। যার প্রযোজক ও কাহিনীকার এফ এম শাহীন। চিত্রনাট্য লিখেছেন হাসান জাফরুল। পরিচালনা করেছেন এফ এম শাহীন এবং হাসান জাফরুল। ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’ ছবিটি পাচ্ছে ৬০ লাখ টাকা। এর প্রযোজক, পরিচালক, কাহিনী, চিত্রনাট্যকার লুবনা শারমিন। গল্পকার শাহরিয়ার কবির। সূত্রমতে সাধারণ শাখায় অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ৯টি চলচ্চিত্র। ৬৫ লাখ টাকা পাচ্ছে ‘জয় বাংলা’ ছবিটি। এর প্রযোজক মিটু সিকদার, কাহিনীকার অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, চিত্রনাট্য ও পরিচালক কাজী হায়াৎ। প্রযোজক জানে আলমের ‘জামদানী’ পাচ্ছে ৬৫ লাখ টাকা। এর পরিচালক অনিরুদ্ধ রাসেল, কাহিনী বিন্যাস, চিত্রনাট্য ও সংলাপ আজাদ আবুল কালাম।

সর্বোচ্চ অনুদান পাচ্ছে ‘চাঁদের অমাবস্যা’ ছবিটি, ৭০ লাখ। এর প্রযোজক, পরিচালক, কাহিনী ও চিত্রনাট্যকার জাহিদুর রহিম অঞ্জন। প্রযোজক জয়া আহসানের ‘রইদ’ পাচ্ছে ৬০ লাখ টাকা। এর কাহিনীকার ও পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন। ‘পেন্সিলে আঁকা পরী’ ছবিটি পাচ্ছে ৬০ লাখ টাকা। এর প্রযোজক মেহেজাবীন রেজা চৌধুরী ও আসাদুজ্জামান। চিত্রনাট্য লিখেছেন রঞ্জন রব্বানী। হুমায়ুন আহমেদের গল্পে এর পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ‘জলে জ্বলে’ ছবিটি পাচ্ছে ৬০ লাখ টাকা। এর প্রযোজক ও পরিচালক অরুণ চৌধুরী। কাহিনী ও চিত্রনাট্যকার মিস ইফফাত আরেফিন।

অরুণা বিশ্বাসের প্রযোজনা, পরিচালনা ও চিত্রনাট্যে ‘অসম্ভব’ ছবিটি পাচ্ছে ৬০ লাখ টাকা। এর কাহিনীকার জাহিদ বাবুল। সমপরিমাণ অর্থ পাচ্ছে মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেনে প্রযোজনা, পরিচালনা, কাহিনী ও চিত্রনাট্যে ‘ভাঙন’। ৬৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে রকিবুল হাসান চৌধুরীর (পিকলু) প্রযোজনা, পরিচালনা, কাহিনী ও চিত্রনাট্যে ‘দাওয়াল’ ছবিটিকে।

Download WordPress Themes Free
Free Download WordPress Themes
Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
online free course